- এই মুহূর্তে দে । শ
- মার্চ ২৭, ২০২৩
পিছিয়ে গেল বিলকিস গণধর্ষণ মামলার শুনানি। ন্যায় বিচারের দাবিতে আরো দীর্ঘায়িত হল লড়াই
সুপ্রিম কোর্টে বিলকিস বানো গণধর্ষণ মামলার পিছিয়ে গেল । আগামী ১৮ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। তবে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, গত বছর গুজরাট সরকার শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ১১ জন অপরাধীদের কিসের ভিত্তিতে ছেড়ে দিয়েছিল সে সংক্রান্ত নথি পেশ করতে হবে। এ ব্যাপারে নোটিশ জারি করা হয়েছে।
পূর্বেও বেশ কয়েকবার শুনানির দিন পিছিয়ে গিয়েছিল। কয়েকদিন আগে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, নব গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ মামলার শুনানি হবে। সেই ঘোষণা অনুযায়ী আজ বিচারপতি কে ভি নাগারত্না ও কে এম জোসেফে বিলকিসের আবেদন শোনেন। দু পক্ষের বক্তব্য শোনার পর তিনি পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করলেন।
দাঙ্গা ও গণধর্ষণের ভয়াবহ স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়ে ন্যায় বিচারের আশায় দীর্ঘদিন লড়াই করেছেন বিলকিস। কিন্তু গত বছর ১৫ আগস্ট ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’- উপলক্ষে সাজার মেয়াদ পূরণের আগে তাদেরকে ছেড়ে দেয় গুজরাট সরকার। কারণ তাঁদের জেলে থাকা অবস্থায় ‘ভদ্র’ আচরণ। ছাড়া পাওয়ার পর মিষ্টি খাইয়ে বীরের মর্যাদায় তাঁদের বরণ করা হয়। লড়াকু বিলকিস তা মেনে নেননি। মেনে নেয়নি বিভিন্ন মানবাধিকাধিকার ও গণতান্ত্রিক সংগঠন।বিলকিসের পাশে এসে দাঁড়ান তাঁরা। সিপিএম নেত্রী সুভাষিনী আলি, সাংবাদিক রেবতী লাল, শিক্ষাবিদ রূপরেখা বর্মা ও তৃণমুল সাংসদ মহুয়া মৈত্র যৌথভাবে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। গুজরাট সরকার অবশ্য যুক্তি দেয়, সাজা মকুবের আইন অনুযায়ী তাঁরা কাজ করেছেন । কিন্তু নভেম্বর মাসে বিলকিস যখন সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন রাখেন তখন তিনি বলেন, সামাজিক বিবেককে এই সিদ্ধান্ত নাড়িয়ে দিয়েছে এবং দেশে এক অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। দুপক্ষের দাবি ও পাল্টা দাবি ঘিরে দ্বন্দ্ব কোর্টের আজকের সিদ্ধান্তের পর আরো দীর্ঘায়িত হল।
❤ Support Us





