- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ১৫, ২০২৩
শীর্ষ আদালতে আইনজীবীদের আবেদন খারিজ । সংবিধান অবমাননা-মামলায় ধনখড়, রিজিজুকে রেহাই
আদালত ও সংবিধান অবমাননার অভিযোগ থেকে রেহাই পেলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় ও কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরণ রিজিজু। দেশের বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করায় দুজনের নামে বম্বে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আদালত মামলা খারিজ করলে শীর্ষ আদালতে যান মামলাকারীরা। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় জে বি পার্দিওয়ালা ও পি এস নরসিমহার বেঞ্চ উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে। খারিজ হয় অভিযোগকারীদের আবেদন।
সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে কলেজিয়াম ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কিরেন রিজিজু। প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বিচারপতি নিয়োগে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি রাখার কথা। উপরাষ্ট্রপতি ধনকড় কেশবানন্দ মামলায় শীর্ষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সংবিধানের কাঠামোর অজুহাত দিয়ে সংসদ বা বিধানসভার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করা যায় না।
বিষয়টি ভালোভাবে নেননি আইনজীবীদের একাংশ। দেশের বিচারবিভাগের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপনের অভিযোগ এনে উচ্চ আদালতে জনস্বার্থ দায়ের করেন বম্বে আইনজীবিদের একটি সংগঠন। আবেদনে বলা হয়, দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তির মন্তব্য সংবিধানের প্রতি তাদের আস্থার অভাবকে সূচিত করে। স্বপদে থাকার অধিকার তার হারিয়েছেন । উচ্চ আদালতে তাঁরা দাবি করেন, অবিলম্বে ধনকড় ও রিজিজুকে তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বম্বে হাইকোর্ট মামলাকারীদের আবেদন পর্যালোচনা করে তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। উচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যক্তি বিশেষের মন্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের গগনচুম্বী মর্যাদা কখনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। শীর্ষ আদালতে রায়কে চ্যালেঞ্জ জানালে সেখানে বিচারপতিরা বম্বে হাইকোর্টের আবেদনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। তাঁরা বলেছেন, কোনো সংস্থা বা ব্যক্তি যদি আদালত সম্পর্কে অসাংবিধানিক মন্তব্য করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সক্ষম। এক্ষেত্রে কারোর আবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে রাজি নন। দেশের সর্বোচ্চ আদালত, সংবিধানের ব্যাখ্যাকার নিজেদের স্বাতন্ত্র্য ও মর্যাদা রক্ষায় যে যথেষ্ট সচেতন , তা স্মরণ করিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি।
❤ Support Us







