- দে । শ
- মার্চ ২০, ২০২৩
এক পদ এক পেনশন নিয়ে শীর্ষ আদালতের বড় ঘোষণা ! ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে মেটাতে হবে বকেয়া সমস্ত টাকা
অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মী ও আধিকারিকদের বকেয়া টাকা ২০২৪ এর মধ্যে কেন্দ্রকে মিটিয়ে দিতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তিন কিস্তিতে পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য টাকা মেটাতে হবে। সময়সীমা ধার্য করা হয়ছে ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। শীর্ষ আদালতের রায়ে বড় জয় পেলেন এক পদ এক পেনশন-এর দাবিতে আন্দোলনকারীরা।
সোমবার বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ঘোষণা করেন, যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত ৬ লক্ষ শহিদ সেনাদের বিধবা স্ত্রী এবং সাহসিকতার জন্য পদকপ্রাপ্তদের বকেয়া পেনশন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে কেন্দ্রকে মিটিয়ে দিতে হবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৭০ ঊর্ধ্ব অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীকে অন্তত একটি কিস্তির টাকা মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার হয়েছে। বাকি যে ১০-১১ লক্ষ পেনশন প্রাপক রয়েছেন তাঁদের বকেয়া তিন কিস্তিতে অর্থাৎ আগষ্ট , নভেম্বর ও ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে।সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ২০২২ সালের রায় মানতে বাধ্য কেন্দ্রীয় সরকার।
সোমবার কেন্দ্রের পেশ করা মুখবন্ধ খামে বক্তব্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করলো সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, মুখবন্ধ খামের ব্যক্তিগতভাবে বিরোধী আমি। এতে কোনও স্বচ্ছতা থাকে না। আদালতের সামনে গোপনীয়তার কী আছে? এই ব্যবস্থার শেষ হওয়া প্রয়োজন।
বস্তুত, আদালত নির্ধারিত হারে পেনশন দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল কেন্দ্র। ২০ জানুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তি মারফত সরকার জানায়, বকেয়া টাকা চারটি কিস্তিতে মেটাতে চান তাঁরা।।প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি পিএস নরসিমা ও জেবি পর্দিওয়ালার ডিভিশন বেঞ্চ প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে বিজ্ঞপ্তি বাতিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আইন নিজের হাতে নিতে পারে না। একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেন্দ্রের নেই।
প্রসঙ্গত, ২৭ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালত প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে বকেয়া পেনশন দিতে বিলম্ব হওয়ার জন্য তিরস্কার করে। এ বিষয়ে মন্ত্রকের সচিবের কাছে ব্যাখ্যাও চায় সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ১৫ মার্চের মধ্যে ওআরওপি-র বকেয়া মেটানোর কথা । কিন্তু গত ২০ জানুয়ারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দেয়, বকেয়া পেনশন চার বছরে চারটি কিস্তিতে মেটানো হবে।কেন্দ্রের এই ঘোষণার কড়া সমালোচনা করেন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। মন্ত্রকের সচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই বিজ্ঞপ্তির জন্য, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ পর্যন্ত নিতে পারে শীর্ষ আদালত। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রক যেন দ্রুত এই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নেন। নাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিস জারি করা হবে। আদালতের নির্দেশে স্বভাবতই চাপে পড়ে বিজ্ঞপ্তি বাতিল করতে বাধ্য হয় কেন্দ্র।
❤ Support Us





