- দে । শ স | হ | জ | পা | ঠ
- এপ্রিল ১৭, ২০২৩
বারি খোঁজে ত্রাহিরব।গরম কমাতে বিকল্পের খোঁজে বিজ্ঞানীরা
হাওয়া অফিসের বার্তায় উত্তরে আশার আলো
তীব্র গরমে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। মহানগরের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে দিনের পর দিন চড়চড়িয়ে বাড়ছে তাপমাত্রা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসকরা সম্ভব হলে ঘরের মধ্যে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন । যে কালবৈশাখীর বৃষ্টি তপ্ত ধরণির জ্বালা জুড়োততে পারত , তার দেখা এতদিন পাওয়া যায়নি। তবে খানিকটা স্বস্তির খবর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে পাওয়া যাচ্ছে।চলতি সপ্তাহের শেষে উত্তরবোঙ্গের পাঁচ জেলায় যেমন- দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের বৃষ্টিপাতের আশা শোনাচ্ছেন আধিকারিকরা। দক্ষিণবঙ্গের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকাও মাঝারি বৃষ্টিপাত হলেও কলকাতায় ভারী বর্ষণের সম্ভবনা এখন নেই। তাই তীব্র দহন জ্বালা আগামী বেশ কয়েকদিন তিলোত্তমা সহ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গকে তাড়া করে বেড়াবে তা বলা বাহুল্য।
এদিকে বিশ্ব জুড়েই ক্রমশই উষ্ণায়ন বাড়ছে। বিশ্বের নানান জায়াগায় হিমবাহ গলে জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।প্রভাব পড়ছে জৈব বৈচিত্র, নষ্ট হচ্ছে বাস্তুতন্ত্রও। তাই পরিবেশ বাঁচিয়ে পাল্টা উষ্ণায়নকে মোকাবিলা করতে চাইছে বিশ্বের তাবড় বৈজ্ঞানিক কূল।সেই বিকল্প পথের অন্বেষণেই এবার খানিকটা সাফল্য পেলেন লস এঞ্জেলসের বিজ্ঞানীরা।

উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণে লস এঞ্জেলসে বিজ্ঞানীদের গবেষণাগার
গত দুবছর ধরে তাঁরা গবেষণা চালাচ্ছেন কীভাবে সমুদ্রের জলকে স্পঞ্জের মতো ব্যবহার করা যায়। একথা সর্বজন বিদিত, কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রীন হাউস গ্যাস। সমুদ্রের জলে রয়েছে সে কার্ব ডাই অক্সাইডের সঞ্চয় করবার ক্ষমতা। বিজ্ঞানীরা সেই ক্ষমতাকে কাজে লাগাতে চাইছেন। মার্কিন বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন সমুদ্রের জলে অবস্থিত গ্যাসকে সম্পূর্ন রূপে বার করে নিয়ে বায়ুমণ্ডলের কার্বণ ডাই-অক্সাইড দিয়ে পরিপূর্ণ করা হবে। তাঁদের দাবি, এর ফলে ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা ৯০ % কমে যেতে পারে। যা তীব্র গরমে ঘর্মাক্ত মানুষকে খানিকটা রেহই দেবে। যতদূর জানা যাচ্ছে এই লক্ষ্যপূরণে তাঁরা ১০০ ফুট দীর্ঘ একটি জাহাজ নিয়েছেন। সেই জাহাজে এমন একটি পাম্পের ব্যবস্থা রয়েছে যা প্রয়োজনমত সমুদ্র থেকে জল তুলে নিয়ে তা থেকে বিদ্যুৎ রসায়ন পদ্ধতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে আলাদা করতে পারে। এখনও বেশ কিছু পরীক্ষা -নিরীক্ষাবাকি রয়েছে। পরীক্ষা সফল হলে, এমন প্রযুক্তির ব্যবহার অন্যত্র হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।
❤ Support Us







