Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • এপ্রিল ২৪, ২০২৩

কিংবদন্তীর ৫০এ শীর্ষাসনে শেহবাগের শুভেচ্ছা।সতীর্থদের আবেগঘন অভিনন্দন

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কিংবদন্তীর ৫০এ শীর্ষাসনে শেহবাগের শুভেচ্ছা।সতীর্থদের আবেগঘন অভিনন্দন

৫০তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভেসে চলেছেন ক্রিকেটের কিংবদন্তী শচীন তেন্ডুলকার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে শুরু করে শচীন তেন্ডুলকারের প্রাক্তন সতীর্থ, প্রত্যেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লিটল মাস্টারকে।

যুবরাজ সিং শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘‌তিনি এসেছিলেন, খেলেছেন এবং চার প্রজন্মের হৃদয় জয় করেছেন। ভাল দিন বা খারাপ দিন, কোন রান বা সেঞ্চুরি নেই, তবুও তাঁর মাথা সব সময় উঁচুতে ছিল। পা শক্তভাবে মাটিতে ছিল। শচীন আমাদের শিখিয়েছিলেন যে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে সাফল্য আসবেই। শচীন কিংবদন্তিদের কিংবদন্তি। তিনি সব সময় একজন ভাল সতীর্থ, বন্ধু, পরামর্শদাতা, বড় ভাই হিসেবে ছিলেন। ৫০তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাই। এবং আর পরবর্তী ৫০–এর জন্য অপেক্ষা করছি। এই বিশেষ দিনে অনেক ভালোবাসা এবং শুভকামনা। আপনি দীর্ঘজীবী হোন, সুস্থ থাকুন এবং সুখে থাকুন।’‌

শচীন তেন্ডুলকারের দীর্ঘদিনের ওপেনিং জুটি বীরেন্দ্র শেহবাগের শুভেচ্ছা জানানোর ধরণ আবার একটু অন্যরকম। নিজের শীর্ষাসনের ভিডিও পোস্ট করে শচীনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শেহবাগ লিখেছেন, ‘‌খেলার সময় মাঠে তুমি আমাকে যা যা বলতে আমি ঠিক তার উল্টোটাই করতাম। আজকেও তোমার ৫০তম জন্মদিনে শীর্ষাসন করে উইশ করছি। তোমাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা শচীন পাজি। তুমি হাজার দিন বেঁচে থাকো।’‌
ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ এবং ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য রবি শাস্ত্রী টুইটারে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘‌শুভ জন্মদিন বিগ বস। জীবনের একটা অর্ধশতক। সর্বোচ্চ স্তরে তোমার পাশে ১০০ যোগ হোক। তোমাকে শুভেচ্ছা জানাই। ঈশ্বর তোমাকে আশীর্বাদ করুন।’‌ প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার কিরণ মোরে টুইটারের শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘‌আমার বন্ধু শচীনের জন্য আরও একটা মাইলফলক। যা আমাদের সকলের উদযাপন করা উচিত। শুভ জন্মদিন শচীন।’‌ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ের ভিডিও পোস্ট করে শচীনকে শুভেচ্ছা জানান হয়েছে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শা টুইটারে লিখেছেন, ‘‌ক্রিকেটের কিংবদন্তি শচীনকে ৫০ বছর বয়সের শুভেচ্ছা জানাই। ব্যাট হাতে তাঁর বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন। ক্রিকেটে ঈশ্বরের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।’‌
শচীনের জন্মদিনে একটা ঘটনা সামনে এসে পড়েছে। বিশ্বের সর্বকালের সেরা ব্যাটার একসময় নাকি জোরে বোলার হতে চেয়েছিলেন। আর তাঁর সেই ইচ্ছাটাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি জোরে বলার ডেনিস লিলি। শুধু তাই নয়, কম উচ্চতার জন্য শচীনের সঙ্গে তিনি মজাও করতেন। ১৯৮৭ সালে এমআরএফ পেশ ফাউন্ডেশনে গিয়েছিলেন শচীন। এমআরএফ পেস ফাউন্ডেশনের কোচিং ডিরেক্টর ডেনিস লিলি শচীনকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, বোলিংয়ের চেয়ে ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য। তাই আর জোরে বোলার হয়ে ওঠা হয়নি শচীনের।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!