- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ৮, ২০২৫
দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা। ফুলকপি চাষিদের বাঁচাতে উদ্যোগ কৃষি বিপণন দফতরের
জলের দর। মাত্র এক-দেড় টাকায় বিকোচ্ছে বড় বড় সাইজের ফুলকপি। পূর্বস্থলীর বিভিন্ন সবজি বাজারে। বাজারে নিয়ে যাওয়ার খরচটুকুও পোষাচ্ছে না। এর ফলে অনেকে জমি থেকে ফুলকপি তুলছেনই না। অনেকে আবার নিজেদের ফুলকপির জমিতে গরু, মোষ, ছাগল-ভেঁড়া ছেড়ে দিয়ে খাইয়ে দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে মাথায় হাত কৃষকদের। এই অবস্থায় ফুলকপি চাষিদের পাশে দাঁড়াল সংশ্লিষ্ট কালনা মহকুমা প্রশাসন। অভাবি বিক্রি ঠেকাতে পূর্বস্থলীতে সর্বনিম্ন ৫ টাকা পিস দরে ফুলকপি কেনা শুরু হল। কেনার সূচনা করে রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বললেন, ‘অভাবী বিক্রি ঠেকাতে শুধু ফুলকপিই নয়, রাজ্যের কৃষি বিপণন দপ্তর কৃষকদের বাঁচাতে বেগুন, পেঁয়াজপাতা, শিম-সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি কিনবে। সেগুলি সুফল বাংলা স্টলগুলি থেকে বিক্রি করা হবে। এটা মমতা ব্যানার্জির পক্ষেই সম্ভব।’ কালনার মহকুমাশাসক শুভম আগরওয়াল জানান, ‘এখান থেকে ফুলকপি কিনে লরি বোঝাই করে কলকাতা, আসানসোল-সহ রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে পাঠানো হবে।’ প্রশাসন পাশে দাঁড়ানোয় খুশি কৃষকরা। গোপাল মণ্ডল, আনোয়ার আলিরা বলছিলেন, ‘সরকার যা দর দিচ্ছে, তা পাইকারি বাজারের থেকে অনেকটাই বেশি। এতে ক্ষতি অনেকটাই পুষিয়ে যাবে।’ তবে বাজারে এত সস্তায় ফুলকপি পেয়ে খুশি মনে ঝোলা ভর্তি ফুলকপি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের লোকজন।
রাজ্যের মধ্য বড়ো পাইকারি সবজি বাজার হিসেবে পূর্বস্থলীর খ্যাতি। এখানকার কালেখাঁতলা, পারুলিয়া বাজার থেকে লরি, ম্যাটাডর, পিকআপ ভ্যান বোঝাই করে সবজি নিয়ে যান কলকাতা, শিলিগুড়ি, হাওড়া, আসানসোল-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সবজি ব্যবসায়ীরা। তারাও ফুলকপি নিতে চাইছেন না বলে আক্ষেপ কৃষকদের। কালেখাঁতলার কৃষক বাদলচন্দ্র দাস, রতনচন্দ্র দাসদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, ভ্যান বা বিভিন্ন গাড়ি ভাড়া করে বাজারে ফুলকপি নিয়ে যেতে যে খরচ হয়, যা দাম পাচ্ছি, তাতে লাভতো দূরে থাক, বহনের খরচটুকুও উঠছে না। বিক্রি করার জন্য পাইকারদের হাতেপায়ে ধরতে হচ্ছে। চাষ করতে যে খরচ হয়েছে, সেই খরচটুকুও উঠবে না। এই অবস্থায় সরকারের তরফে ফুলকপি কেনার সিদ্ধান্তে বেজায় খুশি কৃষকরা।
❤ Support Us







