Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • নভেম্বর ৩, ২০২২

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েও সেমিফাইনালের পথ এখনো কঠিন পাকিস্তানের জন্য

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েও সেমিফাইনালের পথ এখনো কঠিন পাকিস্তানের জন্য

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার ‘দু অর ডাই’ ম্যাচে খেলতে নেমেছিল পাকিস্তান। হারলেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আশা শেষ। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন বাবর আজমরা। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩৩ রানে হারিয়ে শেষ চারে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখল পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তোলে ১৮৫। বৃষ্টির জন্য ওভার সংখ্যা কমে যাওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকায় জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় চৌদ্দ ভাবে ১৪২ শেষ পর্যন্ত ১৪ ওভারে ১০৯ রান তুলতে সমর্থ হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। গোটা বিশ্বকাপে ব্যাটিংয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে পাকিস্তানকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে “ডু অর ডাই” ম্যাচেও ছবিটা বদলায়নি। সেই চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়। ওপেনিং জুটি এই ম্যাচেও নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হন মহম্মদ রিজওয়ান। ইনিংসের চতুর্থ বল তার ব্যাটের কানা লেগে উইকেট ভেঙে দেয় মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন পাকিস্তানের এই ওপেনার। চোট পাওয়া ফখর জামানের পরিবর্তে এদিন প্রথম একাদশে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ হ্যারিস। ক্রিজে নেমেই তিনি ঝড় তুলেছিলেন। কিন্তু তাঁর ইনিংস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১১ বলে ২৮ রান করে তিনি আনরিখ নোখিয়ার বলে এল বি ডব্লিউ হন। অধিনায়ক বাবর আজমের ব্যর্থতা দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচেও অব্যাহত। ১৫ বলে মাত্র ৬ রান করে তিনি লুঙ্গি এনগিডির বলে কাগিসো রাবাদার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শান মাসুদও (২) ব্যর্থ।

শান মাসুদ আউট হওয়ার পর পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যান মহম্মদ নওয়াজ ও ইফতিকার আহমেদ। ১৩ তম ওভারের শেষ বলে আউট হন মহম্মদ নওয়াজ। ৯৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন শাদাব খান। মাত্র ২০ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দলের ১৭৭ রানের মাথায় তিনি আউট হন। ২২ বলে ৫২ রান করেন শাদাব। ৩৫ বলে ৫১ রান করেন ইফতিখার আমেদ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯৯ রান করে পাকিস্তান। ৪১ রানে চার উইকেট পান আনরিখ নোখিয়ে।

চলতি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ভরসা করেছিল শাহিন আফ্রিদির উপর আগের আগের ম্যাচগুলিতে তিনি নিজেকে সেভাবে মেরে ধরতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দারুণভাবেই জ্বলে ওঠেন পাকিস্তানের এই জোরে বোলার। প্রথম ওভারেই কুইন্টন ডিকককে (০) তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে যে ধাক্কা তিনি দিয়েছিলেন সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি প্রোটিয়ারা। এক হবার পরেই শাহীন আফ্রিদি তুলে নেন রিলে রসোকে (৭)। ২৬ রানী দু উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা ও এইডেন মার্করাম। অষ্টম ওভারে জুটি ভাঙেন শাদাব খান। তিন বলের ব্যবধানে তুলে নেন বাভুমা (১৯ বলে ৩৬) ও মার্করামকে (১৪ বলে ২০)। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

নওভার খেলা হওয়ার পর বৃষ্টি নামে সেই সময় দক্ষিণ আফ্রিকা রান ছিল চার উইকেটে ৬৯ বৃষ্টির জন্য দীর্ঘক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পর আবার খেলা শুরু হয় তখন দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য ডাকওয়ার্থ এন্ড লুইস পদ্ধতিতে টার্গেট দাঁড়ায় ১৪ ওভারে ১৪২ গান বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতেই ক্লাসেনকে তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি ৯ বলে ১৫ রান করে তিনি আউট হন। অন্যদিকে ওয়েন পার্নেলকে (৩) কে তুলে নেন মহম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪ ওভারে ৯ উইকেটে তোলে ১০৯ রান। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রীদি ১৩ রানে তিন উইকেট এবং সাদাব খান ১৪ রানে দুই উইকেট নেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!