- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- নভেম্বর ১০, ২০২২
ভারতকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ড
নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে আগের দিনই টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছে পাকিস্তান। ফাইনালে ভারতকে চেয়েছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেটপ্রেমীরা। যাতে গ্রুপ লিগের হারের প্রতিশোধ নিয়ে বিশ্বকাপ জিততে পারে। ভারতকে ১০ উইকেট হারিয়ে টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড। ফিরে আসছে ১৯৯২ একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালের স্মৃতি। সেবারও ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড।
এদিন প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল ১৬৮/৬। জবাবে ১৬ ওভারে ১৭০/০ রান তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। দুরন্ত ব্যাটিং করে ইংল্যান্ডকে ফাইনালে পৌঁছে দেন আ্যালেক্স হেলস ও জস বাটলার। টি২০ ক্রিকেটে রেকর্ড পার্টানশিপ গড়ে দলে জয় এনে দেন ইংল্যান্ডের এই দুই ওপেনার।
এদিন টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। দ্বিতীয় ওভারেই ফর্মে থাকা লোকেশ রাহুলকে (৫) তুলে নেন ক্রিস ওকস। ষষ্ঠ ওভারে স্পিন আক্রমণ নিয়ে আসেন বাটলার। স্পিনাররা আসার পর ভারতের রানের গতি কমে যায়। রানের গতি বাড়াতে গিয়ে ক্রিস জর্ডনকে উইকেট উপহার দেন রোহিত (২৮ বলে ২৭)। ১০ ওভারে ভারত তোলে ৬২/২।
ভারত সবথেকে বড় ধাক্কা খায় দ্বাদশ ওভারে। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা সূর্যকুমারকে (১০ বলে ১৪) তুলে নেন আদিল রশিদ। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান কোহলি। ৩৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। চলতি বিশ্বকাপে এটা কোহলির চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি। ৫০ পূর্ণ করার পরেই তিনি জর্ডনের বলে আদিল রশিদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ঝড় তুলে ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হার্দিক। শেষ পর্যন্ত তিনি ৩৩ বলে ৬৩ রান করে হিট উইকেট হন। মারেন ৫টি ৬। ৪ বলে ৬ রান করেন ঋষভ। ৪৩ রানে ৩ উইকেট জর্ডনের। ২০ রানে ১ উইকেট নেন রশিদ।
চলতি বিশ্বকাপে শুরুর দিকে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা সমস্যায় ফেলছিল ইংল্যান্ডকে। ভারতের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের দুই ওপেনারই পার্থক্য গড়ে দিলেন। একেবারে যেন নিউজিল্যান্ড–পাকিস্তান ম্যাচের প্রতিচ্ছবি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাবর আজম–মহম্মদ রিজওয়ানের জুটি পাকিস্তানের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল। এদিন ইংল্যান্ডের জয়ের ভিত গড়ে দেন অধিনায়ক জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলস।
টি২০ ক্রিকেটে ম্যাচ জিততে গেলে পাওয়ার প্লে–র সুবিধা কাজে লাগাতে হবে। প্রথম ৬ ওভারে যত বেশি সম্ভব রান তুলতে হবে। ইংল্যান্ড ৬৩ রান তুলে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। অর্শদীপ, ভুবনেশ্বর, সামিরা দলকে ব্রেথ থ্রু এনে দিতে পারেননি। অক্ষর প্যাটেলকে আক্রমণে নিয়ে এসেও কাজ হয়নি। ইংন্যান্ডের দুই ওপেনারের ওপর একেবারেই প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন অ্যালেক্স হেলস। মাত্র ২৮ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন। ১০.১ ওভারেই ১০০ রানের গন্ডি পার করে ফেলে ইংল্যান্ড। হেলসের পথ ধরে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তাঁর হাফ সেঞ্চুরি আসে ৩৬ বলে। ১৯ ওভারে ১৭০/০ রান তুলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪৭ বলে ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন অ্যালেক্স হেলস। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার ও ৭টি ছয়। ৪৯ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন জস বাটলার। তিনি মারেন ৯টি চার ও ৩টি ৬।
❤ Support Us








