- এই মুহূর্তে
- মার্চ ২১, ২০২২
কাটোয়ায় ভয়াবহ অঘটন। ঝুলন্ত বাবা, বিছানায় মৃত প্রতিস্পর্ধী মেয়ে। মেঝেতে গলায় গামছা জড়ানো মায়ের লাশ ।
একই পরিবারের তিন সদস্যের দেহ উদ্ধার হল কাটোয়া থানার বৈদ্যপাড়ায় । রহস্যময় এই মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এটা খুনের ঘটনা নাকি আত্মহত্যার ? পুলিস রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে । অতিমারি শুরু হওয়ার পর থেকে সমাজের নানা স্তরে আত্মহত্যা, খুন, রাহাজানি বেড়েছে। সমাজ বিজ্ঞানীরা লকডাউনের শুরুতে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, সামাজিক অশান্তি বাড়তে পারে। প্রথম ও দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর বিশ্ব জুড়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তার প্রত্যাবর্তন অসম্ভব নয়। বাস্তব ক্ষেত্রে এটাই ঘটছে। রাজনৈতিক হত্যা থেকে ব্যক্তি হত্যা পর্যন্ত যে সব উদ্ভট সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তা কতটা করোনার সঙ্গে যুক্ত ভেবে দেখা দরকার ।
কাটোয়ার নঈম শেখ ও তাঁর স্ত্রী কামরুন বিবি। তাঁদের একমাত্র সন্তান পিঙ্কি খাতুনকে নিয়ে বৈদ্যপাড়ার থাকতেন। পিঙ্কি ছিল বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন সন্তান । আজ সকাল দশটা বেজে গেলেও ওই পরিবারের কারও সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা হাক-ডাক শুরু করে দেন। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে গিয়ে দেখনে পান— নইম শেখ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছেন। বিছানায় পিঙ্কি খাতুন(১৪)। আর গলায় গামছা জড়ানো অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছে কামরুন।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান স্ত্রী ও মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন নইম শেখ। সকাল প্রায় এগারোটা নাগাদ তিনটি দেহ ময়নাতদন্তে পাঠান হয়েছে।
নইম শেখ ছিলেন পেশায় গাড়িচালক। তাঁরা ছয় ভাই। সবাই পাশাপাশি থাকতেন। নইম সবার ছোট। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নঈমের মূক ও বধির মেয়ে পিঙ্কি খাতুন নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল । প্রতিস্পর্ধী মেয়েকে নিয়ে প্রবল দুঃচিন্তায় ছিল মা-বাবার। এ কারণেই কি মেয়েকে খুন করে দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন ? পুলিশ আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে ।
❤ Support Us






