Advertisement
  • দে । শ
  • আগস্ট ২৫, ২০২৫

পঠনপাঠন শিকেয় পড়ুয়াদের মাথায় মিডডে মিলের বোঝা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পঠনপাঠন শিকেয় পড়ুয়াদের মাথায় মিডডে মিলের বোঝা

পঠনপাঠন ডকে। পড়ুয়াদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মিড-ডে মিল রান্নার ফর্দ, বাজারের ব্যাগ। মন্তেশ্বরের জামনা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ঈশনা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়াদের স্কুলে পা রাখা অবধি দম ফেলার ফুরসত মেলে না। বই-খাতার ব্যাগ রেখেই ছুটতে হয় বাজার। স্কুলের পোশাকেই বাজার থেকে ঘাড়ে, কোলে, মাথায় আনাজ-মশলাপাতি-ডিম ভর্তি ট্রে নিয়ে ফিরতে হয় স্কুলে। ভারী মালপত্র নিয়ে ঠিকমত চলতে পারে না পড়ুয়ারা। টলমল করে। তবু ছাড়ান নেই। রোজই ঝুঁকি নিয়েই এই কাজ করতে হয়। কারণ পাকা রাস্তার ধারে স্কুল। সবসময়েই হালকা থেকে ভারী যানবাহনের দাপট। জামনা বাজার থেকে ঈশনা গ্রামের স্কুল পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা জিনিসপত্র বহন করে আনতে হয় খুদে পড়ুয়াদের। ‘পড়তে পাঠিয়ে বাজার করানো’র বিহিত চেয়ে সরব হয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সেলিমা বিবি, হাসিনা বিবিদের প্রশ্ন, ‘স্কুলই যদি শিশুশ্রম করায়, তাহলে আর কাকে দোষ দেব?’ জানতে চান, ‘কাছেইতো দোকান রয়েছে। এক মাইল দূরের দোকান থেকে মালপত্র কেনার পিছনে কি কোনও রহস্য আছে?’
অভিযোগ, সবই হচ্ছে স্কুলের প্রধানশিক্ষকের নির্দেশে। বাজার করার কাজে নিযুক্ত পড়ুয়ারাদেরও দাবি তাই। প্রধানশিক্ষক কুমুদরঞ্জন হাজরার বক্তব্য, ‘পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলের বাজার করানোর ব্যাপারে কয়েকজন অভিভাবক আপত্তি জানিয়েছেন। অভিভাবকদের এই দাবি অনায্যও নয়।’ তাঁর সাফাই, ‘আসলে এক জায়গায় স্কুল, অন্য আরেক জায়গায় দোকান। তাই মাঝেমধ্যে ছেলেদের পাঠানো হয়। রোজ নয়। তবে আর যাতে না হয় সেই ব্যবস্থাই করব।’ এ ব্যাপারে মন্তেশ্বরের বিডিও সঞ্জয় দাস বলেন, ‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট অবর বিদ্যালয় পরিদর্শককে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলেছি।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!