- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জানুয়ারি ৭, ২০২৫
পিছিয়ে গেল এসএসসি–র ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলার শুনানি। জানুয়ারির শেষে সপ্তাহে হতে পারে ওবিসি সংরক্ষণ সহ তিন শুনানি
হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী তাকিয়ে রয়েছেন আদালতের রায়ের দিকে। শুধু তাই নয়, যারা চাকরি করছেন, তাঁরাও তাকিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের দিকে। অথচ, দিনের পর দিন পিছিয়েই যাচ্ছে মামলার শুনানি। একাধিকবার পিছনোর পর গতবছর ১৯ ডিসেম্বর দেশের সর্বোচ্চ আদাতে শেষবারের হয়েছিল এসএসসির ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলার শুনানি। আজ আবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। আবার ১৫ জানুয়ারি মামলার শুনানি হবে।
এসএসসি–র ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলার আজ আবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। সওয়াল করার কথা ছিল সিবিআই আইনজীবীদের। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না আগামী ১৫ জানুয়ারি মামলার শুনানির দিন ধার্য করার প্রস্তাব দেন। তাঁর সেই প্রস্তাবে সবপক্ষের আইনজীবী রাজি হন। শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে সিবিআইয়ের কাছে যোগ্য–অযোগ্যদের বাছাই সংক্রান্ত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছিল। আজ শুনানি না হলেও সিবিআইকে সেই রিপোর্ট কিন্তু আদালতে জমা দিতে হবে।
এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর শেষবারের মতো শুনানি হয়েছিল এসএসসি চাকরি বাতিল মামলার। তার আগে অবশ্য একাধিকবার এই মামলা পিছিয়ে গিয়েছিল। আজ আবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হল। ১৯ ডিসেম্বরের শুনানিতে সবথেকে গুরুত্ব দিয়ে যেটা দেখা হয়েছে সেটা হল যোগ্য ও অযোগ্যকে আলাদা করা সম্ভব কি না। সেই দিনের শুনানিতে এসএসসি–র ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলটাকে নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। সেদিন প্রধান বিচারপতি ফাঁকা ওএমআর শিট নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন।
দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৬ সালের এসএসসি–র গোটা প্যানেল বাতিল করে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টে এসএসসি জানিয়েছিল, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কারা যোগ্য আর কারা অযোগ্য তা ১০০ শতাংশ নিশ্চিতভাবে তাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। এর পর হাইকোর্ট প্যানেল খারিজ করতেই সুপ্রিম কোর্টে বদলে যায় এসএসসি–র সুর। সেখানে তারা জানায়, তাদের হাতে যোগ্য ও অযোগ্যদের বাছাই করার মতো সুনির্দিষ্ট নথি রয়েছে।
অন্যদিকে, গত বছর মে মাসে ২০১০ সালের পরে তৈরি হওয়া সমস্ত ওবিসি তালিকা বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। এক রায়ে বাতিল হয়ে গেছিল রাজ্যের প্রায় ৫ লাখ ওবিসি সংশাপত্র। হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার ও রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতর। আজ সে মামলার শুনানিও পিছিয়ে দেওয়া হলো। পরবর্তী শুনানি হবে ২৮-২৯ জানুয়ারি। প্রসঙ্গত, ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল মামলার জন্য রাজ্যের চাকরির পরীক্ষা ও নিয়োগ পিছিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদ। আইনের জট কেটে কবে ওবিসি শংসাপত্র বাতিল মামলার নিষ্পত্তি হবে সেদিকেই চোখ রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের। একই ভাবে রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধির রায় মামলার শানানিও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ।
❤ Support Us






