- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ২৪, ২০২৩
পঞ্চায়েত নিবার্চন ঘিরে সতর্ক তৃণমূল।দলীয় কর্মসূচির হাল-হকিকত জানতে গড়া হল ত্রিস্তরীয় কমিটি, শীর্ষে মমতা
ফাইল চিত্র
পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিজের ঘর গোছাতে তৎপর ঘাসফুল শিবির। গ্রামীণ মানুষের পছন্দের ভিত্তিতে পঞ্চায়েতে প্রার্থী মনোনয়নের জন্য ‘গ্রামবাংলার মতামত’ নামে কর্মসূচি চালু করেছে রাজ্যের শাসক দল। এখন তার কার্যপ্রণালী ও জনমানসে তার প্রভাব খতিয়ে দেখতে দলের মধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটি তৈরি করল তৃণমূল। শীর্ষ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরো বিষয়টির তদারকি করবেন। তাঁকে সাহায্য করবেন দলীয় সহকর্মীরা।
কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির মূল দায়িত্ব হল সাধারণ মানুষ নিজেদের মতামত বিনা বাধায় যাতে দিতে পারে তার ব্যবস্থা করা। সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া সারা জেলায় কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে , গ্রাম পঞ্চায়েতে ও জেলায় পার্টির নির্বাচনের দায়িত্ব কারা আছেন, প্রত্যেকে জেলায় দলের মধ্যে কারা ভোট পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবেন এব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করবেন কমিটির সদস্যরা। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। দলীয় সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটিকে, রাজ্য ও আঞ্চলিক দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম সংগঠনে ২২ জন সদস্য ও ও দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে প্রত্যেক জেলায় ৬-১০ জন থাকবে। প্রথমটিতে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সুব্রত বক্সী , মানস ভূঁইঞা , শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়রা রয়েছেন।
সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহারে জেলা সফরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। জেলায় জেলায় ৬০,০০০ ঘুরে মানুষের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে শুনবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক। শান্তিপূর্ণ ভোট ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ তাঁর লক্ষ্য। বিষয়টিকে হাল্কা ভাবে নিচ্ছে না তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। বাম আমলে গ্রামীন জনতার ভোট দীর্ঘদিন তাঁদের শাসন ক্ষমতা ধরে রাখতে সাহায্য করেছিল। ঘাসফুল শিবিরও সে অস্ত্রে শান দিতে চাইছে। তাই নিয়োগ দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত শাসক দলকে গ্রামের দিকে মুখ ফেরাতে হচ্ছে । দলের শীর্ষ নেত্রীর মাত্রাতিরিক্ত তৎপরতা তারই ইঙ্গিত।
❤ Support Us






