- দে । শ
- অক্টোবর ১৫, ২০২৫
সেচ দপ্তরের কর্মীকে নিগ্রহের অভিযোগ শাসক দলের নেতার বিরুদ্ধে, বন্ধ নদী বাঁধ সংস্কারের কাজ
পূর্ণিমার ভরা কোটালের জেরে গত কয়েকদিন আগে হিঙ্গলগঞ্জের হেমনগরের খুদেরঘাট এলাকায় নদীর বাঁধে ধস নেমেছিল। সেচ দপ্তরের উদ্যোগে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে নদী বাঁধ সংস্কারের কাজ। নদী বাঁধ সংস্কারের কাজ চলাকালীন এক সেচ দপ্তরের কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এলাকার তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূলের কর্মী মানস হালদার সেচ দপ্তরের কর্মীদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকার দাবি করে। সেই টাকা না দেওয়ায় পলাশ দাস নামে এক সেচ দপ্তরের কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার পর সেচ দফতরের কর্মীরা ও ঠিকাদার সংস্থার কর্মীরা সোমবার রাত থেকে নদী সংস্কারের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
নদী বাঁধ সংস্কারের কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এলাকায়। একদিকে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ এবং বাঁধ মেরামতি বন্ধ থাকায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় মানুষের দাবি, সামনেই অমাবস্যার কোটাল। তার আগে যদি নদী বাঁধ সংস্কার করা না হয় তাহলে নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হবে বিস্তীর্ণ এলাকা। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি অবিলম্বে নদী বাঁধ সংস্কার করা হোক। পলাশ দাস নামে ওই সেচ দপ্তরের কর্মী বলেন, ‘আমাকে বেশ কয়েকজন ধরে হুমকি দিয়েছে ও মারধর করেছে, তার প্রতিবাদে কর্মীরা কাজ বন্ধ করে রেখেছে, বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’ ঠিকাদারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই তৃমমূল নেতা মানস হালদার। তিনি বলেন, ‘সেচ দপ্তরের ঠিকাদার সঠিকভাবে নদীবাঁধ সংস্কারের কাজ করছিলেন না। আমি তার প্রতিবাদ করেছি। সে কারনে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ আনছে ঠিকাদারের ওই কর্মী। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি।’ ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাঁধ মেরামতি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। তা মিটে গেছে।
❤ Support Us






