- এই মুহূর্তে দে । শ
- মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্যের পুলিশ কর্তা আমলা অপসারণে কমিশনের এক্তিয়ার, প্রশ্ন তুলে আদালতের দারস্থ তৃণমূল
রাজ্যের একের পর এক শীর্ষ আমলা ও পুলিশ কর্তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপের বৈধতা এবং সীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, এভাবে রাজ্যের উচ্চপদস্থ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে পাঠানোর অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই।
পশ্চিমবঙ্গের একাধিক আইএএস ও আইপিএস অফিসারকে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে অন্য রাজ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ আইনজীবী অর্ক নাগ এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা করতে চান। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে রাজ্যের প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের কাছে আবেদন জানান, কমিশনের এই অপসারণের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক এবং মামলা দায়েরের অনুমতি প্রদান করা হোক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হবে।
উল্লেখ্য, রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই অপসারণ প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনারসহ বহু শীর্ষ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, একাধিক জেলার জেলাশাসকদেরও বদলি করা হয়েছে এবং সেই সব পদে নতুন আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে।
কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যাঁদের অপসারণ করা হয়েছে, তাঁদের আপাতত রাজ্যে কোনও নির্বাচনী কাজে নিয়োগ করা যাবে না। ইতিমধ্যেই অপসারিত বহু আমলা ও পুলিশ আধিকারিককে ভিন্রাজ্যে ভোটের কাজে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন। ফলে বিষয়টি এখন প্রশাসনিক স্তর ছাড়িয়ে আইনি লড়াইয়ের ময়দানে পৌঁছেছে।
❤ Support Us






