- এই মুহূর্তে বি। দে । শ
- সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৫
জাতিসংঘের বৈঠকে তাঁর বিরুদ্ধে তিন–তিনবার নাশকতা! তদন্তের নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প
জাতিসংঘে তাঁর বিরুদ্ধে তিন–তিনবার নাশকতা করা হয়েছে! এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই ‘ইচ্ছাকৃত’ নাশকতার জন্য সিক্রেট সার্ভিসকে তিনি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ–এ পোস্ট করা এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেছেন, ‘মঙ্গলবার জাতিসংঘে অসম্মানজনক ঘটনা ঘটেছে, একটা নয়, দুটি নয়, তিনটি অত্যন্ত ভয়াবহ ঘটনা!’ তিনটি দুর্ঘটনা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন ট্রাম্প।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প প্রথম যে ঘটনাটি তুলে ধরেছেন, তা হল এসকেলেটর থেমে যাওয়া। ওপর তলায় বক্তৃতা দিতি যাওয়ার সময় এসকেলেটরটি হঠাৎ থেমে যায়। এই ঘটনা সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের সৌভাগ্য যে, মেলানিয়া এবং আমি এই ইস্পাতের সিঁড়িতে মুখ থুবড়ে পড়িনি। আমরা দুজনেই হ্যান্ড্রাইলটা শক্ত করে ধরেছিলাম। না হলে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটে যেত। এসকেলেটর থেমে যাওয়াকে নাশকতা হিসেবে অভিহিত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও অভিযোগ করেছেন যে, কীভাবে জাতিসংঘে বিশ্ব নেতাদের সামনে ভাষণ দেওয়ার সময় তাঁর টেলিপ্রম্পটার খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘প্রথমে এসকেলেটর দুর্ঘটনা এবং পরে খারাপ টেলিপ্রম্পটার। টেলিপ্রম্পটারটি প্রায় ১৫ মিনিট পরে চালু হয়েছিল।’ ডোনাল্ড ট্রাম্পের টেলিপ্রম্পটার পরিচালনার দায়িত্ব ছিল হোয়াইট হাউসের ওপর। জাতিসংঘের এক কর্তা জানিয়েছেন, সংবেদনশীলতার কারণে কারও নাম প্রকাশ করা হয়নি।
তৃতীয়ত, ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে, অডিটোরিয়ামের সাউন্ড সিস্টেমটি ত্রুটিপূর্ণ ছিল, যার ফলে বিশ্ব নেতাদের পক্ষে দোভাষী ইয়ারপিস ছাড়া তাঁর বক্তব্য শোনা সম্ভব ছিল না। তিনি বলেন, ‘বক্তৃতার শেষে আমি প্রথম মেলানিয়ার দিকে তাকিয়েছিলাম। মেলানিয়া বলেছিল, আমার বক্তব্যের একটা শব্দও শুনতে পায়নি। এটা কোনও কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। এটা জাতিসংঘে ত্রিমুখী অন্তর্ঘাত ছিল।’
ট্রাম্প বলেছেন যে, তিনি চিঠির একটা কপি জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে পাঠাবেন। চিঠিতে তদন্তের দাবি জানাবেন এবং সমস্ত নিরাপত্তা টেপ, বিশেষ করে এসকেলেটরের জরুরি স্টপ সম্পর্কিত টেপগুলি সংরক্ষণ করার দাবি জানানো হবে। তিনি আরও বলেন, ‘এই তদন্তের সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিস জড়িত থাকবে।’
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, তদন্তে দেখা গেছে যে মার্কিন প্রতিনিধিদলের একজন ভিডিওগ্রাফার, যিনি ট্রাম্প এবং মেলানিয়ার নাম নথিভুক্ত করার জন্য আগে দৌড়ে গিয়েছিলেন, তিনিই অজান্তে এসকেলেটর বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প জাতিসংঘের কথা মেনে নিতে চানি। তাঁর দাবি, এর পেছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে।
❤ Support Us







