- দে । শ
- মার্চ ২১, ২০২৩
বিশ্ব ভয়ঙ্কর সঙ্কটের সম্মুখীন ! জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের উদ্বেগ
গ্লাসগো সম্মেলনের সতর্কতা অরণ্যে রোদন মাত্র। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এখনও আয়ত্তের বাইরে
চিত্র : সংবাদ সংস্থা
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বিগ্ন রাষ্ট্রসংঘ। গতকাল একটি প্রতিবেদন পেশ করতে গিয়ে মহাসচিবের প্রতিনিধি ফারহান বলেন, প্রতিটি দেশকে জলবায়ুর অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঠেকাতে উদ্যোগী হতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমস্ত জীবজগতকে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব।
সংবাদ সংস্থার খবর, ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন অ্যান্টনিও গুয়াট্রেস। তিনি বলেছেন, বিশ্ব বিপর্যয়ের কিনারায় দাঁড়িয়ে। তার অন্যতম কারণ, মেরুদেশে বরফের ক্রমাগত গলছে। আগামী দিনে পৃথিবীকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা সকল দেশের যত জলবায়ু সম্পর্কিত কর্মসূচি রয়েছে তাকে সমন্বিত করতে হবে। যৌথ প্রচেষ্টায় জলবায়ুর পরিবর্তন আটকানোর ব্যাপারে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। আর তা পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করতে হবে।
বলা প্রয়োজন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ইতিপূর্বে বহু সম্মেলন হয়েছে। উন্নত অনুন্নত প্রতিটি দেশ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। জলাশয়ে আবর্জনা জমছে । বনাঞ্চল সাফ করে উন্নয়নের নামে প্রকল্প গড়ে উঠছে, একের পর এক, গ্লাসগো সম্মেলনে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছিল, ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইডের নিঃসরণ ৪৫ % না কমালে সংকট আরো বেশি বাড়বে। তখনই বলা হয়, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। শিল্প বিপ্লবের আগে যে তাপমাত্রা বিরাজ করত, সে অবস্থা আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। এরকম সম্মেলন হয়, যেখানে উদ্বেগ আর সতর্কবাণী অরণ্যরোদনের মতো অসার আর অসাড়। কোনো দেশই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। উন্নয়নের অজুহাতে পরিবেশের উপর অহরহ আঘাত করছে। কীভাবে বিশ্ব উন্নয়ন বজায় রেখে পরিবেশকে সুস্থ রাখতে পারে,তার সুরাহা এখনও দুরস্ত।
❤ Support Us






