Advertisement
  • দে । শ
  • অক্টোবর ১০, ২০২৩

ভাইরাল ভিডিওতে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা ব্যক্তি ছিলেন কুকি সম্প্রদায়ভুক্ত, জানিয়েছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা, ঘটনার সিবিআই তদন্তের সুপারিশ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ভাইরাল ভিডিওতে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা ব্যক্তি ছিলেন কুকি সম্প্রদায়ভুক্ত, জানিয়েছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা, ঘটনার সিবিআই তদন্তের সুপারিশ

মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস কুলদীপ সিং নিশ্চিত করেছেন যে ভাইরাল ভিডিওতে যে ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, সেই ব্যক্তি কুকি সম্প্রদায়ের মানুষ। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভিডিওটি ৪ মে থেকে ভাইরাল ভিডিওটি ঘুরছিল,  যখন মণিপুরে জাতিগত সংঘর্ষ শুরু হয়। আমরা এই ঘটনাটি  সিবিআইকে তদন্ত করার সুপারিশ করেছি এবং সম্ভবত সিবিআই এই তদন্তের জন্য মামলাটি গ্রহণ করবে।”

পুলিশ মৃতদেহটি শনাক্ত করে। পুলিশ জানায় মৃতের নাম লাল ডিং থাঙ্গা খংসাই ওরফে লাল জেমস (৩৭), কাংপোকপি জেলার হাউ হং চিং গ্রামের বাসিন্দা সে। তার মৃতদেহ বর্তমানে ইম্ফলের জেএনআইএমএস হাসপাতালে রাখা আছে।

রবিবার, একজন ব্যক্তির অগ্নিসংযোগের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম জুড়ে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছিল। ভিডিওটিতে দেখা গেছে – একটি কালো টি-শার্ট এবং ছদ্মবেশী প্রিন্টের ট্রাউজার পরা লোকটি মুখ নিচু করে নিথর ভাবে শুয়ে আছে, তাকে  আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে “কুকি” শব্দটি লেখা ছিল। ভিডিওতে দুই পা দেখা যায় এবং বেশ কিছু কণ্ঠস্বর শোনা যায়, তারা বলছিল কোনও ছবি তোলা উচিত হবে না। ভিডিওটিতে বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যাচ্ছিল।

সোমবার গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কথা বলার সময় কুলদীপ সিং বলেছেন, “ঘটনার দিন একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল; এই ঘটনা  ঘটেছিল সেই ঘটনাগুলির ক্রমানুসারে ,অর্থাৎ একই দিনে, যেদিন কুকি মহিলাদের নগ্ন হয়ে প্যারেড করার ঘটনা ঘটেছিল, যে ঘটনার ভিডিও জুলাই মাসের পরে ভাইরাল হয়েছিল।” তবে কুকি সম্প্রদায়ের তরফে এই ভিডিও সম্পর্কে কোনও বিবৃতি এখনও পর্যন্ত দেয়নি।

জুলাই মাসে, দুই কুকি-জোমি মহিলাকে নগ্ন করে রাজপথে প্যারেড করানো  এবং ওই দুই মহিলার ওপর যৌন নিপীড়নের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। ভয়ঙ্কর ওই ভিডিওটি দেশের মানুষকে হতবাক করেছিল, এই ভিডিও মণিপুরের সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলেছিল।

মণিপুরে উপজাতীয় কুকি সম্প্রদায় এবং প্রভাবশালী মেইতিদের মধ্যে জাতিগত সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল গত ৩ মে। তার পর থেকে প্রকট সহিংসতার ঘটনায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেরাখার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছিল। পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী সরকারীভাবে এই সহিংসতার ঘটনায় মণিপুরে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫ জন, আহত ১৪৩৯ জন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!