Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ১৮, ২০২৩

বাবার জমিতে অধিকার তাঁরই। বিশ্বভারতীর উচ্ছেদ নোটিশের প্রতিক্রিয়ায় নোবেলজয়ীর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বাবার জমিতে অধিকার তাঁরই। বিশ্বভারতীর উচ্ছেদ নোটিশের প্রতিক্রিয়ায় নোবেলজয়ীর

পিতা আশুতোষ সেনের জমি উত্তরাধিকার সূত্রে তাঁরই প্রাপ্য । জমি বিতর্কে আরো একবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানালেন অমর্ত্য সেন। মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর জয়েন্ট রেজিস্ট্রার এবং এস্টেট অফিসারকে চিঠি দিয়ে একথা জানান নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ।

অর্থশাস্ত্রী চিঠিতে লিখেছেন, ১৯৪৩ সাল থেকে শান্তিনিকেতনের ‘প্রতীচী’ আমার পরিবার এবং আমরা নিয়মিত ব্যবহার করছি। আমি এই জমির মালিক। আমার বাবা আশুতোষ সেন এবং মা অমৃতা সেনের মৃত্যুর পর বাড়ির মালিকানা আমার কাছে এসেছে। লিজ নেওয়া এই জমি লাগোয়া আরও কিছু জমি কিনেছিলেন তাঁরা। চিঠিতে তিনি সরকারি নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন , গত ৮০ বছর ধরে জমির ব্যবহার একই রকম ভাবে রয়ে গিয়েছে। ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এই জমি নিয়ে বিরুদ্ধ কোনও দাবি যুক্তিগ্রাহ্য নয়। বোলপুরের ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন জমি নিয়ে বর্তমান ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত এবং এই নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ বা শান্তিভঙ্গের চেষ্টা করা উচিত নয়। অমর্ত্যর চিঠি মারফত জানা গেছে, তিনি আগামী জুন মাসে শান্তিনিকেতনে ফিরবেন। তখনই জমি বিবাদ নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনি আলোচনায় বসবেন।

বিশ্বভারতীর জমি জোর করে দখল রাখার অভিযোগে প্রগাঢ় অর্থশাস্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কদর্য আক্রমণ অব্যাহত। সম্প্রতি তাঁরা সিদ্ধান্ত নেয়, ২৯ মার্চের শুনানিতে  গরহাজির থাকায় দখলদার উচ্ছেদ আইন, ১৯৭১ অনুযায়ী নোবেলজয়ীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বিশ্বভারতী। এই মর্মে একটি নোটিশ প্রতীচী বাসভবনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, বৃহস্পতিবার রেজিষ্ট্রারের পক্ষ থেকে অমর্ত্য সেনের আইনজীবীকে একই সমন জারি করে বলা হয় ১৯ এপ্রিল জমি বিবাদের চূড়ান্ত মীমাংসা করতে চায় বিশ্ববিদ্যালয়।  সেদিন   উচ্ছেদের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এব্যাপারে ১৮ এপ্রিলের মধ্যে অমর্ত্য সেনকে মেল করে ঐদিন উপস্থিত থাকতে পারবেন কিনা তা জানাতে বলা হয়।

অমর্ত্য  সেন বর্তমানে আমেরিকায় । তাই পূর্বের শুনানির তারিখে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তাঁর আইনজীবী চারমাস সময় চেয়েছিলেন উপস্থিত থাকার জন্য। কিন্তু মাত্র ১০ দিন সময় দেন তাঁরা। তাঁদের যুক্তি, আইন অনুযায়ী এক সপ্তাহের  বেশি সময় দেওয়া যায় না।কিন্তু তার থেকে বেশি সময় দেওয়া হয়েছে।  জমি বিবাদে অমর্ত্যকে কোণঠাসা করতে সবরকম প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন উপাচার্য  বিদ্যুৎ  চক্রবর্তী ও তাঁর সমর্থকরা।  কিন্তু নিজের চিঠিতে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিকে নস্যাৎ করে দিলেন নোবেলজয়ী।

 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!