Advertisement
  • দে । শ
  • মার্চ ৯, ২০২২

বিধানসভায় বিশৃঙ্খলা, ধ্বনি ভোটে সাসপেন্ড দুই বিজেপি বিধায়ক ।

পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে হট্টগোল শুরু করেন বিধায়করা । যার জেরে রাজ্যপালের ভাষণে বারবার ব্যাঘাত ঘটতে থাকে ।

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিধানসভায় বিশৃঙ্খলা, ধ্বনি ভোটে সাসপেন্ড দুই বিজেপি বিধায়ক ।

বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখিয়ে সাসপেন্ড হলেন দুই বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামী। এদিন অধিবেশন শুরুর পর ওই দুজন বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে শাস্তির প্রস্তাব আনেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। উল্লেখ্য সোমবার বিধানসভায় হট্টগোল বেঁধে যায়। রাজ্যপালের ভাষণ পাঠের আগেই বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। কার্যত ভাষণ না পাঠ করেই রাজ্যপাল বিধানসভা ছাড়েন। অভিযোগ, সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামী সেদিন একেবারে সামনে থেকে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এদিন বিধানসভায় সাসপেনশনের প্রস্তাব নিয়ে আসেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সংক্ষিপ্ত অভিযোগ ছিল, ৭ তারিখ অধিবেশন কক্ষে কাজে বিঘ্ন ঘটিয়েছিলেন সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামী। এরপরই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে দুজনকে সাসপেন্ড করেন।

সোমবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা । পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে হট্টগোল শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। তাঁরা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও ভাষণ শুরু করতে পারেননি রাজ্যপাল। সেসময় রাজ্যপাল বিধানসভা থেকে পেরিয়ে যেতে উদ্যত হন। তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা তাঁকে ঘিরে রাখেন। এই পরিস্থিতিতে স্পিকার ও মুখ্যসচিব বারবার বিক্ষোভকারীদের অনুরোধ করেন। কিন্তু তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। হট্টগোল না থামায় ভাষণ শুরুই করতে পারছিলেন না রাজ্যপাল। এরপর মুখ্যমন্ত্রী ও মুখ্যসচিব একটা বৈঠক করেন। তারপর ফিরে এসে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালকে অন্তত দুলাইন ভাষণ পাঠের অনুরোধ করেন। প্রথম ও শেষ লাইন পাঠ করেন রাজ্যপাল। তারপর তিনি বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান। এদিনের ঘটনাকে মুখ্যমন্ত্রী বেনজির অ্যাখ্যা দেন। বিজেপি পরিকল্পিতভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন। ৭ তারিখে বিধানসভায় ঘটা সেই ঘটনার অভিঘাত দেখা গেল আজ সকালেও। সাসপেন্ড করা হল বিজেপির দুই বিধায়ককে।


  • Tags:
❤ Support Us
Advertisement
error: Content is protected !!