Advertisement
  • এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • মে ৫, ২০২৩

লোকেশ রাহুল ছিটকে গেলে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে দলে জায়গা পাবেন কে ? ‌শুরু জল্পনা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
লোকেশ রাহুল ছিটকে গেলে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে দলে জায়গা পাবেন কে ? ‌শুরু জল্পনা

আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় চোট পেয়ে আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালেও তাঁর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একান্তই যদি লোকেশ রাহুল খেলতে না পারেন, তাহলে তাঁর পরিবর্তে কে দলে ঢুকবেন?‌ আলোচনায় উঠে আসছে তিনটি নাম, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, সরফরাজ খান ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ। তবে ঋদ্ধিমান সাহার নামও ভেসে উঠছে।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ম্যাচে লোকেশ রাহুল চোট পাওয়ার পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কথা ভেবে কোনও ঝুঁকি নেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। লখনউ থেকে বৃহস্পতিবারই তাঁকে মুম্বইয়ে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মুম্বইয়ে বোর্ডের মেডিকেল টিমের ডাক্তাররা রাহুলের চোটের চিকিৎসা করছেন। চোট কতটা গুরুতর, তা দেখেই রাহুলের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যদি চোট গুরুতর হয়, তাহলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলতে পারবেন না লোকেশ রাহুল। সেক্ষেত্রে বিকল্প উইকেটকিপার কে হবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

লোকেশ রাহুলকেই বিকল্প উইকেটকিপার হিসেবে ভেবেছিলেন টিম ম্যানেজমেন্ট। আর প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে নেওয়া হয়েছে শ্রীকর ভারতকে। রাহুল ছিটকে যাওয়ায় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের জন্য ৩৭ বছর বয়সী ঋদ্ধিমান সাহাকে কি আবার জাতীয় দলে ফেরানো হবে?‌ যদিও লোকেশ রাহুলের পরিবর্ত হিসেবে তিনটি নাম আলোচনায় উঠে আসছে। এরা হলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল, সরফরাজ খান ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ।
২০২২ সালের মার্চ মাসে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ২০২২–২৩ মরশুমে রনজিতে সবথেকে বেশি রান করেছেন। তিনটি সেঞ্চুরি ছাড়া ৬টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া ২১টি টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। লোকেশ রাহুলের অনুপস্থিতিতে মিডল অর্ডারকে ভরসা দিতে পারেন। জোরে বোলিং খেলার ব্যাপারেও দারুণ দক্ষ। যা ইংল্যান্ডের পরিবেশে কাজে লাগবে। ২০১৮ অস্ট্রেলিয়া সফরে প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড, মিচেল স্টার্কদের মতো জোরে বোলারদের বিরুদ্ধে দুটো ম্যাচে ৭০–এর বেশি রান করেছিলেন।

মায়াঙ্ক আগরওয়ালের সঙ্গে লড়াইয়ে রয়েছেন সরফরাজ খানও। ২০১৯ সাল থেকে রনজিতে ধারাবাহিকভাবে রান করে আসছেন। গত মরশুমে করেছেন ৫৫৬। তিনটি সেঞ্চুরি করেছেন। তাঁর কথাও মাথায় রাখছেন নির্বাচকরা। তবে সরফরাজ খানের জোরে বোলিংয়ের বিরুদ্ধে দূর্বলতা রয়েছে। এদের দুজনের সঙ্গে লড়াইয়ে রয়েছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। গতবছর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে দলে ছিলেন। কিন্তু খেলার সুযোগ পাননি। গত মরশুমে রনজি ট্রফিতে ১৪ ইনিংসে ৭৯৮ রান করেছেন। তাঁর কথাও চিন্তাভাবনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

আবার বিকল্প উইকেটকিপারের কথা মাথায় রেখে ঋদ্ধিমান সাহাকেও আবার টেস্ট দলে ফেরানোর কথা ভাবা হচ্ছে। কারণ শ্রীকর ভরত ছাড়া দ্বিতীয় কোনও উইকেটকিপার নেই দলে। ২০০১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। ঋষভ পন্থ টেস্ট দলের জায়গা পাকা করার পর আর টেস্টে খেলার সুযোগ পাননি ঋদ্ধিমান। চলতি আইপিএলে ভাল ছন্দে রয়েছেন ঋদ্ধি। দুর্দান্ত কিপিং করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে ইংল্যান্ডের পরিবেশে ঋদ্ধিমানের মতো অভিজ্ঞ উইকেটকিপার খুবই দরকার। এখন দেখার তাঁর ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে কিনা। চুক্তির মধ্যে না থেকেও অজিঙ্কা রাহানের যদি টেস্টে প্রত্যাবর্তন হয়, তাহলে ঋদ্ধিমান সাহার নয় কেন?‌


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!