Advertisement
  • দে । শ মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • মে ৩, ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিলে তবেই ইস্তফা। আন্দলনকারীদের দাবির প্রতিক্রিয়ায় ব্রিজভূষণ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিলে তবেই ইস্তফা। আন্দলনকারীদের দাবির প্রতিক্রিয়ায় ব্রিজভূষণ

মহিলা ক্রীড়াবিদদের যৌন হেনস্থার প্রশ্নে নিজের অবস্থানে অনড় ব্রিজভূষণ। ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য- একমাত্র প্রধানমন্ত্রী বা বিজেপি দলের নির্দেশে পদত্যাগ করবেন, নতুবা নয়। তাঁর মতে, যন্তর মন্তরে আন্দোলনরতরদের খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতার অভাব রয়েছে। যাঁদের তা রয়েছে তাঁরা কেউই এ বিক্ষোভে সামিল হননি। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে তাঁদের সংস্থায় কুস্তিগীররা আসেন, নাম নথিভুক্ত করেন। তাঁর দাবি, কারোর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেনি কেউ কখনো এমন কথা বলেনও নি। তাহলে আজ এ অভিযোগ কেন? যৌন হেনস্থার ঘটনায় তাঁকে জড়িয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে একটি নির্বাচনী ইস্যু তৈরি করার জন্য তাকে চেয়ারম্যানের সরিয়ে দেওয়ার যাবতীয় চক্রান্ত করা হয়েছে । ধর্নায় বসা ক্রীড়াবিদরা বিরোধীদের এজেণ্ডা পূরণ করতে নেমেছেন বলেই তাঁর ধারণা।

সভাপতির দাবির সঙ্গে আন্দোলনরত কুস্তিগীরদের বক্তব্যের ফারাক প্রকট। যন্তর মন্তরে দশ দিন হল তাঁরা ধর্নায় রয়েছেন। অবস্থানকারীদের অন্যতম প্রধান মুখ ভিনেশ ফোগট বলেছেন, ব্রিজ ভূষণের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ আজকের নয়। জাতীয় শিবিরে থাকাকালীনই দুবার এমন ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন তাঁরা।র রেস্টলিং ফেডারেশন অফ ইণ্ডিয়ার কাছে অভিযোগ জানিয়ছিলেন, আমল দেয়নি কর্তৃপক্ষ। থানায় জানানো হলেও ব্রিজভূষণের রাজনৈতিক দাপটে সব ধামাচাপা পড়ে যায়। পরে দফেডারেশনের এক মিটিং-এ ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকে কুস্তিগীররা বিষয়টি জানান। কিন্তু তিনি একটি পাঁচ সদস্যের প্যানেল তৈরি করে তাঁরা দায়িত্ব সারেন।

ভিনেশ ফোগট আরো জানিয়েছেন, ধর্নায় তাঁরা আজ হঠাৎ বসেননি। দীর্ঘদিন ধরে সরকারকে জানিয়েছেন, কীভাবে ফেডারেশনের মধ্যে মেয়েরা যৌন নিপীড়নের শিকার হন। কিন্তু এ ব্যাপারে তাঁরা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। দিল্লি পুলিশকে জানাণো হলেও, তাঁরা ব্যাপারটিকে বিলম্বিত করতে সচেষ্ট। তাঁদের স্পষ্ট দাবি, ফেডারেশনের সভাপতিকে পদত্যাগ করতে হবে ও সরকারকে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনের এক্ষেত্রে কতটা তাঁদের সাহায্য করবে সে সম্পর্কে তাঁরা সন্দিহান। একমাত্র শীর্ষ আদালতই তাঁদের ন্যায় বিচার দিতে পারে।

ব্রিজভূষণের সাক্ষাৎকার সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট। তাঁর মতে, টিভির পর্দায় যিনি এমন কথা বলেন, তিনি বন্ধ ঘরে মেয়েদের সঙ্গে কেমন আচরণ করেন তা সহজেই অনুমেয়। সহমত পোষণ করেছেন আর এক অলিম্পিক পদক জয়ী সাক্ষী মালিক। এতদিন কেন চুপ ছিলেন সে প্রসঙ্গে তাঁরা জানিয়েছেন, কেরিয়ারের ভয়ে কিছু বলা সম্ভব হয়নি। একজন ক্ষমতাশালী পুরুষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্পর্ধী কণ্ঠ হয়ে উঠতে যে একজন মেয়েকে কতটা কঠিন  লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, কুস্তিগীররের বক্তব্যে তা স্পষ্ট।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!