- দে । শ
- জুন ১, ২০২২
মাঙ্কিপক্স । সংক্রমণ রুখতে গাইডলাইন জারি করল ভারত
ভারতে এখনও মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত রুগির খোঁজ মেলেনি। সংক্রমণ রুখতে আজ গাইডলাইন প্রকাশ করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক ।এক. সংক্রমিত রোগীদের আইসোলেশনে রাখতে হবে।দুই. মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত ব্যক্তির স্পর্শকরা ও ব্যবহৃত জিনিসে হাত দেওয়া যাবে না।তিন. আক্রান্ত ব্যক্তির স্পর্শে এলে পোশাক বদলাতে হবে। হাত ধুয়ে ফেলতে হবে সাবান ও জল দিয়ে। স্যানিটাইজারও ব্যবহার করা যেতে পারে।
চার. রোগীর দেখভাল করার সময় মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।পাঁচ. অন্তঃসত্ত্বা ও বয়স্ক ব্যক্তি যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাঁদের সংস্পর্শ এড়িয়ে যেতে হবে।ত্বকে র্যাশ, কনজাংটিভাইটিস, মুখের আলসার, জ্বরের মতো নানা উপসর্গের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা চিকিৎসার কথা জানানো হয়েছে। পিসিআর অথবা সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসকে চিহ্নিত করা সম্ভব।
কোনও ব্যক্তি যদি সংক্রমিত দেশগুলিতে ২১ দিনের মধ্যে গিয়ে থাকেন এবং তাঁর শরীরে র্যাশ জাতীয় উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে শরীরে জ্বর, মাথাব্যথা, গায়ে যন্ত্রণা, দুর্বলতার মতো উপসর্গও রয়েছে কিনা । বলা দরকার, প্রধানত কাঠবিড়ালী, ইঁদুর, ছুঁচো-সহ তীক্ষ্ণ দাঁতের পশু থেকে মানুষের শরীরে মাঙ্কিপক্স বেশি ছড়ায় । এই পশুর কামড়, আঁচড় এমনকী, ঘনিষ্ঠভাবে সংস্পর্শে এলেও মানুষের শরীরে মাঙ্কিপক্স প্রবেশ করতে পারে । এরপর সংক্রমিত ব্যক্তির হাঁচি, কাশির মাধ্যমে ড্রপলেট এবং ত্বকের মধ্যে দিয়ে অন্য মানুষের দেহে এমনকি গর্ভজাত মায়ের সন্তানও আক্রান্ত হতে পারে।
ভারতে এখনও মাঙ্কিপক্স ধরা পড়ে নি। কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ায় এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাওয়া আসা বেড়েছে। করোনাও নতুন রূপে হামলা চালাচ্ছে। এ কারণেই মাঙ্কিপক্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ভয় রয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বে মাঙ্কিপক্সে মৃত্যুর হার ৩-৬ শতাংশ । আগামীদিনে এ হার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ।
❤ Support Us





