- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জুলাই ৩১, ২০২৫
মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার রায় : বেকসুর খালাস সাধ্বী প্রজ্ঞা, মুক্তি ৭ অভিযুক্তর। মৃতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ আদলতের
২০০৮ সালের মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্ত সাতজনকেই সব অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে এনআইএ আদালত। বিচারক এ কে লাহোটি রায় ঘোষণার সময় বলেন, “প্রসিকিউশন নির্ভরযোগ্য ও জোরালো প্রমাণ হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং অভিযুক্তদের দোষ প্রমাণ করতে পারেনি।” আদালত নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা সরকার প্রদান করবে।
এই মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর, লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদ পুরোহিত, মেজর রমেশ উপাধ্যায় (অবসরপ্রাপ্ত), অজয় রাহিরকর, সমীর কুলকার্নি, সুধাকার চতুর্বেদী এবং সুধাকার ধর দ্বিবেদী। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি, সন্ত্রাসবিরোধী আইন (UAPA) ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের আওতায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
এনআইএ আদালতে বিচারকের উদ্দেশে সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর বলেন, “আমি শুরু থেকেই বলে আসছি যে, যাকে তদন্তের জন্য ডাকা হচ্ছে, তার পেছনে একটি ভিত্তি থাকা উচিত। আমাকে তদন্তের জন্য ডাকা হয়েছিল এবং তারপর আমাকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হয়। এতে আমার পুরো জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি এক সন্ন্যাসীর জীবন যাপন করছিলাম, কিন্তু আমাকে অভিযুক্ত করা হলো, এবং তখন কেউ স্বেচ্ছায় আমাদের পাশে দাঁড়ায়নি। আমি বেঁচে আছি, কারণ আমি একজন সন্ন্যাসী। ষড়যন্ত্র করে ভগবাকে কলঙ্কিত করা হয়েছে। আজ ভগবার জয় হয়েছে, হিন্দুত্বর জয় হয়েছে, এবং ঈশ্বর দোষীদের শাস্তি দেবেন। তবে যারা ভারত ও ভগবাকে বদনাম করেছে, তাদেরকে আপনি ভুল প্রমাণ করেননি…”
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সালে মালেগাঁও শহরের একটি চকে একটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। শহরটি মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে প্রায় ১০০ কিমি দূরে অবস্থিত এবং পাওয়ারলুম শিল্পের জন্য পরিচিত। পবিত্র রমজান মাসে এই বিস্ফোরণ ঘটে, যেখানে মূলত সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বসবাস করে। এই বিস্ফোরণে ছয়জন নিহত ও ১০০ জন আহত হন। মহারাষ্ট্রের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (ATS) স্থানীয় পুলিশের কাছ থেকে তদন্তভার গ্রহণ করে এবং সন্দেহ করে যে, এলএমএল ফ্রিডম মোটরসাইকেলে একটি আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) লাগানো হয়েছিল।
❤ Support Us






