Advertisement
  • দে । শ
  • মে ২, ২০২৫

মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় কাটোয়া-কালনার ৩

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় কাটোয়া-কালনার ৩

মাধ্যমিকে প্রথম দশের মধ্যে রয়েছে কাটোয়া ও কালনা মহকুমার মধ্যে ৩ জন। কেতুগ্রামের নিরোল হাইস্কুলের ছাত্র মহম্মদ সেলিম চতুর্থ, নবম স্থান অধিকার করলো কালনার কাঁকুড়িয়া দেশবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ময়ূখ বসু নবম ও মঙ্গলকোটের কাশেমনগর বিএনটিপি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী দশম স্থান অধিকার করেছে। মহম্মদ সেলিম পেয়েছে ৬৯২, ময়ূখের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭ আর স্বাগতা পেয়েছে ৬৮৬। এছাড়া মহকুমার নামী স্কুল কাটোয়া কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনের ছাত্র ৬৮৩ ও ডিডিসি গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী অন্বেষা গণাই ৬৭৩ পেয়েছে।

স্কুল কামাই না করার সুফল হিসেবেই এত ভাল ফল বলে সাফ জানাল নিরোলের ছাত্র স্থানীয় সিরুন্দি গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ সেলিম। নিজের মামা ফজলে করিম ও স্কুলের শিক্ষকদের বাড়তি কৃতিত্ব দিল বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্ধ ভক্ত সেলিম। জানাল, ‘ভাল ফল করব জানতাম। কিন্তু এক থেকে দশের মধ্যে থাকব, ভাবতে পারিনি।’ পাঠ্যবই খুঁটিয়ে পড়েছে ইঞ্জিনিয়ার হওয়াই লক্ষ্যে এগনো সেলিম। গল্পের বই পড়ার পাশাপাশি বাগান করা শখ সেলিমের। বড্ড গাছ ভালবাসে। এদিকে শুক্রবার সকালে ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কালনার ময়ূখদের পরিবারে খুশির জোয়ার। তার বাবা সুদয় বসু প্রাক্তন বিএসএফ কনস্টেবল, মা মৌসুমী দত্ত বসু কাঁকুড়িয়া দেশবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্বশিক্ষিকা। ময়ূখ জানাল, রোজ চার থেকে পাঁচ ঘন্টা পড়াশোনা করতাম। পাশাপাশি নাচ-গানের জন্য সময় রাখতাম। ভাল ফলের জন্য সবথেকে বেশি কৃতিত্ব মা-বাবাকেই দিয়েছে সে। তবে গতানুগতিক পড়াশোনার ইচ্ছা নেই ময়ূখের। সৃজনশীল কাজকর্ম ও পড়াশোনার মিশ্রণে কিছু একটি করার ইচ্ছে পোষণ করে ময়ূখ। এদিকে ৬৮৬ পেয়ে দশম স্থানাধিকারী স্বাগতা সরকারের ইচ্ছে ডাক্তারি পড়া। জানাল, ‘এতটা ভাল ফল হবে আশা করিনি।’ লেখাপড়ার পাশাপাশি গান গায়, ছবি আঁকে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!