- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- জুলাই ২, ২০২৬
জোড়া গোলে পেলেকে স্পর্শ হ্যারি কেন-এর, বিশ্বকাপে শেষ ১৬য় ইংল্যান্ড
বিশ্বকাপের নকআউটের শুরুতেই অঘটন। হল্যান্ড, জার্মানির মতো দলগুলি বিদায় নিয়েছে। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল ইংল্যান্ডকে নিয়েও। বিশ্বকাপে চমক দেখানো ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল। অবশেষে মান বাঁচালেন অধিনায়ক হ্যারি কেন। তাঁর জোড়া গোলের ওপর ভর করে ডিআর কঙ্গোকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ১৬–য় পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড। কঙ্গোর বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে কিংবদন্তি পেলেকে স্পর্শ করলেন হ্যারি কেন।
গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই পর্তুগালের মতো দলকে আটকে দিয়ে চমক দিয়েছিল কঙ্গো। এদিনও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরুতেই চমক। ম্যাচের ৭ মিনিটেই এগিয়ে যায়। ইংল্যান্ডের বক্সের বাইরে শানসিল এম্বেমবার কাছ থেকে বল পান ব্র্যায়ান সিপেঙ্গা। ডান পায়ের জোরালো শটে ইংল্যান্ড গোলকিপার পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন। তখনই আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল, শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়তে পারবে তো ইংল্যান্ড ? কারণ ১৯৬৬ সালে ফাইনালের পর বিশ্বকাপে প্রথমে পিছিয়ে পড়ে কখনও ম্যাচ জেতেনি ইংল্যান্ড।
২৫ মিনিটের পর থেকেই বদলে যায় গেল ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণ। তিনকাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এম্পাসি। ৩০ মিনিটেই গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন জুড বেলিংহাম। ডানদিক থেকে ভেসে আসা সেন্টারে দুর্দান্ত হেড করেছিলেন। বল গোলে ঢোকার মুখে অবিশ্বাস্য দক্ষতায় বাঁচান কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এম্পাসি। ৫ মিনিট পর রাশফোর্ডের প্রয়াস রুখে দেন। ৪২ মিনিটে প্রতি আক্রমণে অবশ্য ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল কঙ্গোর সামনে। ইউয়ান উইসার শট পোস্টের কোনায় লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বেলিংহামের আরও একটা হেড অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতায় উড়ে গিয়ে বাঁচান কঙ্গোর গোলকিপার।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্নক ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে কঙ্গোর ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখছিলেন হ্যারি কেনরা। ৭৫ মিনিটে ভেঙে যায় কঙ্গোর প্রতিরোধ। অ্যান্টনি গর্ডনের সেন্টার থেকে হেডে বল জালে পাঠান হ্যারি কেন। কঙ্গোর গোলকিপার বল হাতে লাগালেও গোল বাঁচাতে পারেননি। অবশেষে ৮৬ মিনিটে আসে সেই মুহূর্ত। জুড বেলিংহামের শট কঙ্গোর গোলকিপার আংশিক প্রতিহত করলে ফিরতি বল অ্যান্টনি গর্ডন পেয়ে যান। পাস বাড়ান হ্যারি কেনকে। ডান পায়ে বুলেটের মতো শটে গোল করে দলকে শেষ ১৬–য় পৌঁছে দেন হ্যারি কেন। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গেই স্পর্শ করলেন কিংবদন্তি পেলেকে। বিশ্বকাপে দুজনেরই ১৩টি করে গোল।
❤ Support Us








