Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • জুলাই ৯, ২০২৬

বর্ষার দাপটে বিপর্যস্ত দেশ, জলমগ্ন দিল্লি-মুম্বাই, সুরাট-পুণেতে বন্যা, কেরালা-উত্তরাখণ্ডে ধস । ‘লাল সতর্কতা’ আবহাওয়া দফতরের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বর্ষার দাপটে বিপর্যস্ত দেশ, জলমগ্ন দিল্লি-মুম্বাই, সুরাট-পুণেতে বন্যা, কেরালা-উত্তরাখণ্ডে ধস । ‘লাল সতর্কতা’ আবহাওয়া দফতরের

উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম দেশজুড়ে বিপর্যয়ের পরিস্থিতি। বর্ষার দাপটে বিপর্যস্ত দেশের বিস্তীর্ণ অংশ। রাজধানী দিল্লিতে রাতভর মুষলধারে বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে একাধিক এলাকারাস্তাঘাট পরিণত হয়েছে অস্থায়ী খালে। রোহিণী অঞ্চলে চারতলা বাড়ি ধসে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। অন্যদিকেগুজরাতের সুরতে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছেকেরালার ওয়েনাড়ে ধসে নিহত ৫, নিখোঁজ আরও ৩ জন শ্রমিকজম্মু-কাশ্মীরে আকস্মিক বন্যামহারাষ্ট্রে আবর্জনার পাহাড় ধসে আটকে পড়ার আশঙ্কা একাধিক মানুষের। উত্তর-পূর্ব ভারতে একাধিক রাজ্যবিশেষ করে অসমঅরুণাচল প্রদেশমেঘালয় এবং ত্রিপুরায় প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের বহু এলাকা ইতিমধ্যেই আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের কবলে, অসমে ও ত্রিপুরায় বন্যা পরিস্থিতিতে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বর্ষার ভয়াবহ তাণ্ডবের মধ্যেই আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে লাল সতর্কতা জারি করেছে জাতীয় আবহাওয়া দফতর (আইএমডি)।

বৃহস্পতিবার ভোরে ঘুম ভাঙতেই রাজধানীবাসী দেখেনশহরের বহু রাস্তা জলের নীচে। সফদরজং আবহাওয়া কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ীসকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৭২.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। লোধি রোডে ৮০.২ মিলিমিটাররিজ এলাকায় ৭৭.৮ মিলিমিটারপালমে ৬৩ মিলিমিটার এবং আয়ানগরে ৫৭.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। পূর্ব দিল্লিবিকাশ মার্গসদর বাজারমুনিরকাদ্বারকা থেকে শুরু করে নিউ দিল্লি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জমে থাকা জলে কার্যত থমকে যায় যান চলাচল। দিল্লি-নয়ডা এক্সপ্রেসওয়েতেও দেখা যায় দীর্ঘ যানজট। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে ধরা পড়েছে জলমগ্ন রাস্তাবন্ধ হয়ে থাকা গাড়ির সারি এবং হাঁটুসমান জল ভেঙে এগিয়ে চলা পথচারীদের দুর্ভোগ।

আবহাওয়া দফতরের মতেগত দুদিনের লাগাতার বৃষ্টির নেপথ্যে রয়েছে মৌসুমি অক্ষরেখার উত্তরমুখী সরে যাওয়া। মধ্য ভারতের উপর থেকে তা হিমালয়ের পাদদেশের দিকে সরে আসায় দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ আবহাওয়া ব্যবস্থা আরও উত্তরে সরে না যাওয়া পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। বৃষ্টির জেরে রাজধানীতে বিপর্যয় আরও প্রকট হয় রোহিণীর একটি চারতলা ভবন ধসে পড়ার ঘটনায়। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে  জনের। প্রাথমিক তদন্তে পুর কর্তৃপক্ষের অনুমানভবনের ভিতরে পাইপলাইন সংক্রান্ত কাজ চলাকালীন বিম ও স্তম্ভের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত অংশে কাটাছেঁড়া করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও ঘটনাটির সঙ্গে বৃষ্টির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি নাতা এখনো নিশ্চিত নয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দিল্লি সরকার শহর জুড়ে ২০০টি বিশেষ দল মোতায়েন করেছে। চিহ্নিত প্রতিটি জলাবদ্ধতা এলাকায় নিয়োগ করা হয়েছে নোডাল অফিসার। দিল্লি পুলিশও ১৬৯টি জলাবদ্ধতা-প্রবণ এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করেছে।

রাজধানীর বাইরে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। গুজরাতের সুরাটে টানা বৃষ্টিতে একাধিক এলাকা প্লাবিত। নিম্নাঞ্চল থেকে হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। বহুতল আবাসনের মধ্যে আটকে পড়া বাসিন্দাদের জন্য খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে নৌকা ও বিশেষ উদ্ধারকারী দলের মাধ্যমে। গত কয়েক দিনে বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় সেখানে অন্তত নয় জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রেও বর্ষার দাপট অব্যাহত। পুণের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় এলাকায় বিশাল আবর্জনার স্তূপ ধসে পড়ে অন্তত ১১ জন আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা। মুম্বাইতেও বুধবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। লোকাল ট্রেন পরিষেবা বযাহত। রেললাইনের উপর জল উঠে আসায় শতাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।  প্রবল বর্ষার জেরে মুম্বাইয়ের পানীয় জলের অন্যতম উৎস তুলসি হ্রদ উপচে পড়েছে। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই উপচে পড়ে পাশের বিহার হ্রদও। তবে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা।

কেরালার ওয়েনাড়ে একটি সুড়ঙ্গ নির্মাণ প্রকল্পের কাছে বৃষ্টিতে ভিজে নরম হয়ে যাওয়া মাটির বিশাল অংশ ধসে পড়ায় নিহত হয়েছেন ৫ জন শ্রমিক। আরও ৩ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। প্রবল বৃষ্টি উদ্ধারকাজে বাধা সৃষ্টি করছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তারা। দেশের অন্য প্রান্তে, জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা জেলায় আকস্মিক বন্যায় একাধিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকারী দল নামানো হয়েছে। রাজস্থানেও বর্ষার সক্রিয়তার জেরে একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। কোটা জেলার রামগঞ্জ মান্ডিতে সর্বাধিক ১০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের আকাশ এখন বর্ষার দখলে। আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত অসমঅরুণাচল প্রদেশমেঘালয়ত্রিপুরা-সহ একাধিক রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দফতর (আইএমডি)। ইতিমধ্যেই বন্যাভূমিধস এবং জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। তার মধ্যেই নতুন করে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বুধবার প্রকাশিত আইএমডি-র পূর্বাভাসে জানানো হয়েছেঅসম ও মেঘালয়ে বুধবারই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়১০ থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যেও ফের প্রবল বর্ষণের নতুন পর্ব দেখা যেতে পারে। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন ভাবে অতি প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে

নাগাল্যান্ডমণিপুরমিজোরাম এবং ত্রিপুরাতেও ৮ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্য দিকেঅরুণাচল প্রদেশে ১০ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই পূর্বাভাস সবচেয়ে বেশি চিন্তা বাড়িয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, অসম ও ত্রিপুরায়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে লাগাতার বর্ষণে রাজ্যগুলোর বিস্তীর্ণ অংশে আকস্মিক বন্যাভূমিধস এবং পাথর ধসের ঘটনা ঘটেছে। দুর্যোগের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ।  ভেসে গিয়েছে বাড়িঘর, চাষের জমি। প্রশাসনের আশঙ্কাআগামী কয়েক দিন আরও ভারী বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। অসম এবং মেঘালয়ের ক্ষেত্রে পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখছে আবহাওয়া দফতর। এই দুই রাজ্যেই আগামী কয়েক দিনে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে মেঘালয়ের পাহাড়ি এলাকাগুলিতে দীর্ঘ সময় ধরে প্রবল বর্ষণ চললে ভূমিধসের আশঙ্কা বেড়ে যাবে। একাধিক সড়কপথ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই জাতীয় ফ্ল্যাশ ফ্লাড গাইডেন্স বুলেটিন’-এ পূর্ব রাজস্থানহিমাচল প্রদেশউত্তরাখণ্ডপশ্চিম মধ্যপ্রদেশগুজরাতকনকন-গোয়ামধ্য মহারাষ্ট্র এবং মারাঠওয়াড়ার জন্য আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কাআগামী ২৪ ঘণ্টায় কোথাও কোথাও ১৯০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে মাটির আর্দ্রতা ইতিমধ্যেই ৯৫ থেকে ১০০ শতাংশে পৌঁছে যাওয়ায় নতুন করে ভারী বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

দেশজুড়ে চলমান দুর্যোগের আবহে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মহারাষ্ট্রগুজরাতকেরলা এবং জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলে তিনি উদ্ধার ও ত্রাণকার্যের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন। কেন্দ্রের তরফে সব রকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গেও শুক্রবার থেকে দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।  বাংলাদেশে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপ অক্ষরেখার সম্মিলিত প্রভাবে আবহাওয়ায় বড়োসডড়ো পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মরশুমের প্রথম শক্তিশালী মৌসুমি বৃষ্টি বলয় সক্রিয় হওয়ায় আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) থেকে ১৩ জুলাই (সোমবার) পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দার্জিলিংকালিম্পংআলিপুরদুয়ারকোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর সতর্ক করেছে যেপ্রবল বর্ষণের জেরে দার্জিলিং ও কালিম্পং-সহ পার্বত্য এলাকায় ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি তিস্তাতোর্সা এবং জলঢাকা নদীর জল বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে নদী সংলগ্ন ও নিচু এলাকাগুলিতে জল জমা বা প্লাবনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

তবে এ পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের বর্ষার একটি বৈপরীত্যও সামনে এসেছে। কোথাও খরা, কোথাও মেঘভাঙা বৃষ্টি চলছে। মৌসুমি জলবায়ুর পরিচিত দৃশ্য দেখা যাচ্ছে না কোথাও। আবহাওয়াবিদদের মতে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি বর্ষার অনিয়মিত চরিত্রকেই সামনে আনছে। এক দিকে দীর্ঘ সময় বৃষ্টির ঘাটতি কৃষিকাজ এবং জলসম্পদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, অন্য দিকে অল্প সময়ে অত্যধিক বৃষ্টিপাত আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শুধুমাত্র মৌসুমের মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দেখে প্রকৃত ঝুঁকি বোঝা যায় না। কারণ, কয়েক দিনের অতি প্রবল বর্ষণই অনেক সময় মাসের ঘাটতি পূরণ করে দিলেও সাধারণ মানুষের জীবনে তার প্রভাব হয় মারাত্মক।

প্রভাব পড়েছে খরিফ চাষে। আইএমডি ইতিমধ্যেই জানিয়েছে২০২৬ সালের জুলাই মাসে দেশজুড়ে মোট বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের ৯৪ শতাংশের নীচে থাকতে পারে। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেনগত বছরের তুলনায় প্রায় ৯১.৯৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে এখনো বপন পিছিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন এবং তুলো চাষে ঘাটতি স্পষ্ট। তাই কম জলনির্ভর ও স্বল্পমেয়াদি ফসল যেমন ভুট্টাবাজরা এবং মুগ ডালের দিকে ঝুঁকতে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদের সহযোগিতায় জেলা-ভিত্তিক বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং ১.৭৫ লক্ষ কুইন্টাল বীজের জাতীয় ভাণ্ডার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ‘কিষান ক্রেডিট কার্ড কর্মসূচি জোরদার করা এবং প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার আওতা সম্প্রসারণের কাজও চলছে। 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!