Advertisement
  • দে । শ
  • নভেম্বর ৩, ২০২৬

তিন থেকে পাঁচ, রাজ্য জুড়ে বাড়ছে ‘সম্ভাগ’

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
তিন থেকে পাঁচ, রাজ্য জুড়ে বাড়ছে ‘সম্ভাগ’

সম্ভাগ। অচেনা এই শব্দটি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের। গোদা বাংলায় যার অর্থ ‘এলাকা’ (জোন)। জনপদের প্রতিটি কোণে সংগঠন বিস্তারের লক্ষ্যে এবার ‘সম্ভাগ’ বা এলাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরএসএস। এতদিন রাজ্যজুড়ে তিনটি জোন ছিল আরএসএসের। মধ্যবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গ। মধ্যবঙ্গের দফতর ছিল বর্ধমানে, দক্ষিণবঙ্গের কলকাতায়। এবার রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর আরএসএস-র সংগঠন আড়ে-বহরে বেড়েই চলেছে। তাই তিনটে দফতর থেকে সাংগঠনিক কাজকর্ম তত্ত্বাবধানে সমস্যা হচ্ছিল। সমাধানের লক্ষ্যে সম্ভাগের সংখ্যা বাড়িয়ে ৫টি করা হচ্ছে। এক একটি সম্ভাগে রাখা হবে ৪টি জেলা। ঠিক হয়েছে, ২ বর্ধমান, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া মিলে হবে একটি ‘সম্ভাগ’।

ডিসেম্বরের মধ্যেই নয়া সম্ভাগ গঠনের কাজ সেরে ফেলা হবে বলে সংগঠন সূত্রের খবর। জানা গেল, কিছুদিন আগে সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত এসে পুরো পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করে যান। সম্ভাগগুলি যেমন গ্রামে গ্রামে সংগঠন বাড়িয়ে আরএসএসের মতাদর্শকে নীচুতলা পর্যন্ত ছড়িয়ে দেবে, পাশাপাশি বিজেপির কাজকর্মও আতশ কাচের নীচে ফেলে পর্যালোচনা করে পথ বেঁধে দেবে। কারণ সামনেই পুরভোট, তারপরই পঞ্চায়েত ভোট। আসলে রাজ্যে সরকারের পালাবদল হতেই আরএসএসে যোগদানে ধূম পড়ে গিয়েছে। যোগদানের ক্ষেত্রে তেমন বাধাও কিছু নেই। সমস্যা হচ্ছে, আরএসএস কী, সেই বিষয়টাই অনেকের অজানা। সম্ভাগ বা জোন বাড়িয়ে সংগঠনের মতাদর্শকে একেবারে তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়াই লক্ষ্য। লক্ষ্য পূরণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সংগঠনের প্রচারকরা এই রাজ্যে এসে কাজ করবেন। নেতা তৈরি করে বিজেপিতে ‘সাপ্লাই লাইন’ অব্যাহত রেখে বিজেপিকে কলুষমুক্ত করার কাজ করবেন।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল আরএসএসের। প্রচারের আলো এড়িয়ে শহরে গ্রামে ঘুরে ঘুরে রাতের পর রাত কাটিয়ে কেন্দ্র সরকারের জনমুখী প্রকল্প ও পরিষেবা সম্পর্কে আমজনতাকে অবহিত করেছেন। তার ফলও মিলেছে। সূত্রের খবর, সম্ভাগের সংখ্যা বাড়িয়ে নিজেদের ও বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চায় আরএসএস।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!