Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ৫, ২০২৫

ভুয়ো ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা, জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে জমা পড়ল অভিযোগ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ভুয়ো ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা, জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে জমা পড়ল অভিযোগ

ভুয়ো ডিগ্রি ব্যবহার করে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মোটা টাকা ফি নিয়ে চিকিৎসা করার অভিযোগ। তন্ময় সামন্ত নামে কালনার সিঙ্গারকোণ গ্রামের ওই ‘ডাক্তারে’র বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে কালনা মহকুমা স্বাস্থ্য দফতরে আবেদন জমা পড়ল। অভিযোগটি যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়ে দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম। অভিযুক্ত চিকিৎসক অবশ্য দাবি করলেন, তিনি ‘বেআইনি কিছু করছেন না’।

সোমনাথ সিদ্ধান্ত নামের এক অভিযোগকারী বলেন, ‘উনি কোনো ডিগ্রীধারী নন। তা সত্ত্বেও রোগীদের কাছে ফি নিয়ে প্যাড ছাপিয়ে ডাক্তারি করেন। এই কাজ জনস্বার্থবিরোধী। তাই অভিযোগ জানিয়েছি।’ এর আগেও তন্ময়বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছিল বলে জানান সোমনাথ।

তন্ময়বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁর ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নেই। ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়ারও অধিকারও নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, প্রেসক্রিপশনে তন্ময়বাবু নামের আগে ‘ডক্টর’ শব্দটি ব্যবহার করেন। ডিগ্রির জায়গায় রয়েছে এমডি (এএম) অ্যালোপ্যাথি এন্ড ইনটিগ্রেটেড মেডিসিন। এ ব্যাপারে তন্ময়বাবুর ব্যাখ্যা, ‘আমি ডক্টর অফ মেডিসিন ইন অলটারনেটিভ মেডিসিনের কোর্স করেছি। সেই সার্টিফিকেটও রয়েছে। আমি অ্যালোপ্যাথি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাও করি। রেজিস্ট্রেশন নম্বরও রয়েছে।’ যোগ করেন, ‘রুরাল ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অফ ইণ্ডিয়ার সদস্য আমি। সংগঠনের পূর্ব বর্ধমান ইউনিয়নের সেক্রেটারি পদেও রয়েছি। আমরা ডা. শব্দটা প্যাডে লিখতেও পারি।’

জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম জানান, ‘সাধারণত গ্রামেগঞ্জে যারা টুকটাক চিকিৎসা করেন, তারা এমডি, এমএস, ডাক্তার এসব লিখতে পারেন না। এই নিয়ে কেউ অভিযোগ করলে ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিলে আমরা তা পাঠিয়ে যাচাই করে দেখি তার রেজিস্ট্রেশন আছে কিনা। এক্ষেত্রেও তাই করা হবে।’ তবে এইসব বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন থাকার পরামর্শও দিলেন জয়রামবাবু। এদিকে তন্ময়বাবুর চিকিৎসা পরিষেবায় ‘উপকৃতরা’ মিছিল করে তার সঙ্গে ‘ষড়যন্ত্র হচ্ছে’ বলে অভিযোগ তুলে মিছিল করলেন এলাকার বাসিন্দারা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!