- এই মুহূর্তে দে । শ
- সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫
জিআই ট্যাগ প্রাপ্ত বারুইপুরের পেয়ারা এবার বিশ্ব বাজারে
কলকাতার বাজারে কিংবা শহরতলীর ট্রেনে চাপলেই শোনা যাবে ফলবিক্রেতা ও হকারদের চিৎকার। ছন্দের সুরে বিক্রি করেন বারুইপুরের পেয়ারা। এবার আর রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না জিআই প্রাপ্ত বারুইপুরের এই বিখ্যাত পেয়ারা। পৌঁছে গেল বিদেশের বাজারেও। সিঙ্গাপুরে রপ্তানি করা হয়েছে বারুইপুরের পেয়ারা। আর এই উদ্যোগ নিয়েছে অ্যাপেডা।
ইতিমধ্যেই ৫ কুইন্টাল উৎকৃষ্টমানের পেয়ারা সিঙ্গাপুরে রপ্তানি করা হয়েছে। বারুইপুরের কৃষিপণ্য সংস্থা অটোবটস ফার্মার মাধ্যমে বাছাই করা এই পেয়ারা সিঙ্গাপুরের এক ব্যবসায়ীকে পাঠানো হয়েছে।
পেয়ারা রপ্তানির মূল উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (Agricultural and Processed Food Products Export Development Authority) বা অ্যাপেডা। প্রথম পর্যায়ে আপাতত ৫ কুইন্টাল পেয়ারা রপ্তানি করা হয়েছে। যদি এই পেয়ারার গুণগতমান সিঙ্গাপুরবাসীকে আকৃষ্ট করে, তাহলে ভবিষ্যতে আরও পেয়ারা রপ্তানি করা হবে।
এবছর এপ্রিলে বাংলার ৭টি নতুন পণ্য জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) তকমা পেয়েছে। গুড়ের সন্দেশ থেকে শুরু করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের পেয়ারার তালিকায় ছিল। বারুইপুর ফার্মার্স প্রোডিউসার কোম্পানির পক্ষ থেকে জিআই–য়ের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। বারুইপুরের পেয়ারা জিআই তকমা পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক বিপণন শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে রপ্তানি করা পেয়ারার মানের ওপরই নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক বাজার ধরার ভবিষ্যৎ।
কেন্দ্রীয় সংস্থা অ্যাপেডার আঞ্চলিক প্রধান এস কে মণ্ডলের নেতৃত্বে সরকারি অনুমোদন, মান নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে ৷ তিনি বলেন, রপ্তানির আগে সব পেয়ারা উৎকৃষ্ট মানের কিনা, তা পরীক্ষা করা হয়েছে ৷ আন্তর্জাতিক বাজারের নিয়ম, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন সার্টিফিকেশন পরীক্ষা করা হয় সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরেই পেয়ারা সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে।’
ভবিষ্যতে আরও বেশি পেয়ারা রপ্তানি করার সুযোগ আসবে বলে আশাবাদী এফপিসি কর্তারা ৷ সংস্থার চেয়ারম্যান আই নস্কর বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে স্থানীয় কৃষকদের আন্তর্জাতিকমান বজায় রেখে পেয়ারা ও উৎপাদন বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে । পেয়ারার গুণগত মান, আকার ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে, আমি নিজেও তদারকি করেছি। এতদিন পেয়ারা রাজ্যে ও দেশের মধ্যে রপ্তানি হত। এবার বিদেশের বাজারে যাচ্ছে৷ সেক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকমান বজায় রাখতে যথেষ্ট যত্নশীল হতে হবে।’
❤ Support Us








