Advertisement
  • দে । শ
  • জুলাই ১২, ২০২৩

নওশাদ সিদ্দিকীকে ধর্ষণ মামলায় হাই কোর্টের রক্ষাকবচ, বিধায়কের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ এখনই নয়

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
নওশাদ সিদ্দিকীকে ধর্ষণ মামলায় হাই কোর্টের রক্ষাকবচ, বিধায়কের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ এখনই নয়

ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন এক মহিলা। এই ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে কলকাতা হাই কোর্টের সুরক্ষা। বুধবার হাই কোর্টের বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাস এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর আদালত জানিয়েছে, আপাতত রক্ষাকবচ দেওয়া হচ্ছে আইএসএফ বিধায়ককে। আগামী ১৬ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। তার আগে পর্যন্ত নওশাদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ পুলিশ করতে পারবে না।

আমরা দেখেছি, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের তিন দিন আগে গত বুধবার নিউ টাউন থানায় ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা তথা ভাঙড়ের বিধায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ দায়ের করেন এক তরুণী। তাঁকে ‘সহায়তা’ করতো এসোছিলেন সল্টলেক পুরসভার চেয়ারম্যান এবং তৃণমূল দলের তরফে ভাঙড়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত। তখনই এই অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে বর্ণনা অভিযোগ করেছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী।

এর পরেই ওই অভিযোগকারিণীর পরিচয় প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, ডোমকল শহর তৃণমূলের সর্বশেষ যে কমিটি ঘোষিত হয়েছিল, তাতে মোট পাঁচ জনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। এবং তাতে চার নম্বরে নাম ছিল নওশাদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা তরুণীর। জানা গিয়েছে, দলের তরফে তিনি রেশন ডিলারদের সংগঠন এবং সেই সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়েরও দেখাশোনা করোন।

নিউ টাউন থানায় ওই মহিলা অভিযোগ করে বলেন, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে একটি অফিসে নওশাদ তাঁকে ধর্ষণ করেছিলেন। তার পরে একাধিক বার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করেন বলে তিনি দাবি করেন। অভিযোগকারিণী এবং তাঁর ভাই গিয়ে গত বুধবার নিউ টাউন থানায় নওশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁরা থানায় পৌঁছনোর খানিক ক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফেরা সব্যসাচী দত্ত। তাতেই সন্দেহ দানা বাধে যে এই অভিযোগের পিছনে কি কোনও উদ্দেশ্য আছে?

তবে তৃণমূল প্রথম থেকে এই বিষয়টিকে ‘অরাজনৈতিক’ বলে রাজনীতির থেকেই দূরে রাখার চেষ্টা করে আসছে।

এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান অপূর্ব সরকার বলেন, ‘‘কিছু না হলে তো কেউ অভিযোগ জানাতে যায় না! সম্পর্কের ক্ষেত্রে দলীয় ভেদাভেদ দেখা উচিত নয়। নিশ্চয়ই কিছু হয়েছে।’’ অন্য দিকে, নওশাদ প্রথমেই বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগের সত্যতা কতটুকু, তা অভিযোগকারিণীর পরিচয় থেকে স্পষ্ট। অর্থাৎ নওশাদ সিদ্দিকী শুরুতেই বুঝিয়ে দেন, রাজনীতিতে তাঁর সঙ্গে না পেরে তৃণমূল এখন কুৎসিত ব্যক্তিগত আক্রমণের রাজনীতি করছে, যা হওয়ার আদালতে হবে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!