- এই মুহূর্তে দে । শ
- মার্চ ১৮, ২০২৫
রাজ্যে অবৈধ নিয়োগের তদন্তে সিআইডির হাতে গ্রেফতার শিক্ষক, খোঁজ মিলল আরো ৩ ‘ভুয়ো’ শিক্ষকের
পরীক্ষা ছাড়াই, ভুয়ো নিয়োগে হয়েছিলেন শিক্ষক। রাজ্যে বেআইনি শিক্ষক নিয়োগের তদন্তে নেমে খামারচক স্কুলের আরো এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। গতবছর একই স্কুলে আরেকজন ভুয়ো শিক্ষক গ্রেপ্তার হইয়েছিলেন, ঘটনায় প্রধান শিক্ষককেও নিজেদের হেপাজতে নিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে ৩ জন ‘ভুয়ো’ শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে চিঠি লিখল রাজ্য পুলিশ।
মেদিনীপুরের তমলুকে খামারচক হাইস্কুলে ফের ভুয়ো শিক্ষকের হদিশ মিলছে। এসএসসি পরীক্ষা ছাড়াই ২০০৯ সালে নিয়োগ হয়েছিলেন অয়নকুমার দাস নামে ওই ব্যক্তি। গত ১০ মার্চ তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। গতবছর একই স্কুলে আরেকজন ভুয়ো শিক্ষক গ্রেফতার হন, ঘটনায় প্রধান শিক্ষক অশোককুমার হাটুয়া ও সেকেন্ডারি ডিআই চাপেশ্বর সর্দারকে নিজেদের হেপাজতে নিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। কয়েকমাস জেলে কাটানোর পর জামিনে মুক্তি পান তাঁরা। নতুন মামলায় ফের খামারচক হাই-স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষককে আটক করা হয়েছে। নতুন ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে, পরীক্ষা না দিয়েও চাকরি পাওয়া ওই ব্যক্তি ২০১৯ সাল থেকে নিয়মিত শিক্ষকের বেতন পেতেন। গত বছর রাজ্যের সমস্ত সরকার পোষিত স্কুলের শিক্ষকদের সমস্ত নথি ফের ডিআই অফিসে জমা দিতে নির্দেশ দেয় বিকাশ ভবন। সম্প্রতি বিদ্যালয়য় পরিদর্শনে গিয়ে জেলা বিদ্যালয়য় পরিদর্শনের কর্মকর্তারা তাঁকে ‘ভুয়ো শিক্ষক’ হিসাবে চিহ্নিত করে। তমলুক থানায় মামলা দায়ের হয়।
অন্যদিকে, জাল সার্টিফিকেট ব্যবহার করে দীর্ঘ ১২ বছর সরকারি চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে ৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে পাঠানো রাজ্য পুলিশের একটি চিঠিতে এমন খবরই উঠে এসেছে। কমিশন সূত্রে খবর, ২০১২ সালে নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে সার্ভিস কমিশন। পাঠানো চিঠিতে নাম উল্লেখ থাকলেও বিষদ তথ্য নেই বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশের পাঠানো চিঠিটির প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে এসএসসির তরফেও পুলিশকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে ওই তিন জনের বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। যদিও কমিশনের দাবি, এত পুরনো নিয়োগের নথিপত্র খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে কীভাবে ভুয়ো শংসাপত্র দিয়ে একযুগের বেশি চাকরি করছেন অভিযুক্তরা, কারো নজরে বিষয়টি আসেনি ? না কি সব জেনেও কোনো সদর্থক ভূমিকা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ? জানা যাচ্ছে, পুলিশের কাছ থেকে আরো তথ্য পেলে, ঘটনার তদন্তে নামবে কমিশন।
❤ Support Us







