- দে । শ
- ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
২৬ বছর আগে ভারতে আশ্রয়, অবশেষে মিলল নাগরিকত্ব
সিএএ-তে আবেদন করেছিলেন মাস চারেক আগে। শেষমেশ মিলল ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র। খুবই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিলেন পূর্বস্থলীর কালেখাঁতলা পঞ্চায়েতের বড়গাছি গ্রামের বছর সাঁইত্রিশের সবুজ দাস। শংসাপত্র মেলায় ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল পরিবারের। সবুজের কথায়, ‘ভয় পাচ্ছিলাম, হয়ত ডিটেনশেন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেবে। এসআইআর-এ নাম কাটা যাবে। সার্টিফিকেট পেয়ে সেই ভয় দূর হল।’ সবুজ নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ায় খুশি এলাকার বাংলাদেশ থেকে আসা পরিবারগুলি। সমীর মজুমদার নামে এক যুবক বলছিলেন, ‘আমরাও আবেদন করব।
নাগরিকত্ব পেয়ে গেলে তো আর ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হবে না।’ গত অক্টোবরে সবুজ নিজে ও তার মা, ভাই, স্ত্রীর ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি হয় বর্ধমানে। গত ৮ জানুয়ারি দিল্লির গৃহ মন্ত্রণালয় থেকে সবুজ দাসকে একটি ই-মেল পাঠিয়ে সবুজকে তার নাগরিকত্বের শংসাপত্র প্রস্তুত বলে জানানো হয়। অনলাইন থেকে একটি প্রতিলিপিও মেলে। শংসাপত্রটি ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি তার পরিবারের বাকি আবেদনকারীরাও শংসাপত্র পেয়ে যাবেন বলে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায় বসবাস করত সবুজ দাসের পরিবার। অত্যাচারের শিকার হয়ে সবুজের বাবা চাঁদমনি দাস (বর্তমানে প্রয়াত) স্ত্রী ও ২ সন্তানকে নিয়ে ২৬ বছর আগে ভারতে চলে আসেন।পূর্বস্থলীর বড়গাছি গ্রামের মাঝেরপাড়ায় বসবাস শুরু করে। তাদের ভোটার, আধার কার্ড হলেও এসআইআর শুরু হতেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান সকলে। সিএএ ফর্ম পূরণ করে নাগরিকত্বের আবেদন জানায়।
❤ Support Us





