Advertisement
  • দে । শ
  • মার্চ ৪, ২০২৩

চিনের প্রভাব রুখতে মরিয়া ন্যাটো এবার দিল্লিতে। ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক রুদ্ধকক্ষে ।

ন্যাটোর আহ্বানে ভারত কি সাড়া দেবে ?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
চিনের প্রভাব রুখতে মরিয়া ন্যাটো এবার দিল্লিতে। ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক রুদ্ধকক্ষে ।

 প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় চিনের সামরিক প্রভাব খর্ব করতে তৎপর হয়ে উঠল  ন্যাটো।

সম্প্রতি, রাজধানীতে ন্যাটোর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে ।  ভারতের প্রতিনিধি এবং ন্যাটোর প্রতিনিধিদের মধ্যে এ ধরনের বৈঠক এই প্রথম। ন্যাটোর প্রতিনিধি দলে রয়েছেন পোলান্ডের একজন মন্ত্রী। বাকি সদস্যদের নাম প্রকাশ করেনি ভারত সরকার। ভারতের পক্ষ থেকে সেনা ও শীর্ষস্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের কেউ কর্মরত, কেউবা অবসরপ্রাপ্ত।

এই  বৈঠক ‘ট্র্যাক ওয়ান পয়েন্ট ফাইভ’ কূটনীতির অন্তর্গত অংশ। দু’পক্ষই আশাবাদী, ন্যাটোর সঙ্গে ভারতের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় ভারত ও ন্যাটোর মধ্যে কীভাবে দ্বিপাক্ষিক ঋদ্ধতা  আরো  নিবিড়  করা সম্ভব– এব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ  পরিস্থিতিতে চিন-রাশিয়ার গাঁটছড়া বাঁধা নিয়েও উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন ন্যাটোর প্রতিনিধিরা। প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় চিন যেভাবে  সামরিক শক্তি বাড়িয়ে তুলছে, তা নিয়েও তাঁরা উদ্বেগ জানিয়েছেন।  বলা দরকার,   প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় চিনের কর্তৃত্ববাদ রুখতে আমেরিকা পাল্টা  সামরিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে । কখনো যুদ্ধ জাহাজ পাঠানোর হুমকি দিচ্ছে, কখনো বা এলাকার কয়েকটি দেশের সঙ্গে  নৌ মহড়া দিয়েছে। ভারত প্রশান্ত মহাসাগরে অবাধ বাণিজ্য নীতিতে বিশ্বাসী। কিন্তু এপর্যন্ত মার্কিন তৎপরতায় সাড়া দেয়নি, অংশগ্রহণও করেনি।  রাশিয়ার  ভারতের স্বাভাবিক মিত্র। ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও দিল্লি  সরাসরি রুশবিরোধী অবস্থান নেয়নি। ভারতের এ ভূমিকায় ন্যাটো, বিশেষ করে আমেরিকা ক্ষুব্ধ। ন্যাটো  বিশ্বাস করে, রাশিয়া এবং চিন দুই রাষ্ট্রই বিপজ্জনক  শক্তি। চলতি সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন মার্কিন সেনার উদ্দেশে  মেসেজ বার্তায় বলেছেন, চিনের কর্তৃত্ববাদ ক্রমশ  আগ্রাসী হয়ে উঠছে ।   প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় লালফৌজের প্রভাব খর্ব করতে আমেরিকা  সামরিক শক্তি বাড়িয়ে তুলবে।

সম্ভবত, এ ব্যাপারে ভারতকে আমেরিকা তাঁর পাশে চাইছে। ভারতী অভ্যন্তরীণ নীতি যাই হোক না কেন, সে তার  ধারাবাহিক বিদেশ নীতির নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে। সীমান্ত বিবাদে চিনকে রোখার বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও এ বিষয়ে আমেরিকা কিংবা অন্য কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সাহায্য  নয়াদিল্লি চায় না। উস্কানি চলছে। ভারত নিঃশব্দে সে উস্কানিকে রুখে দিচ্ছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!