- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ৩, ২০২৩
সংসদে মণিপুর আলোচনা প্রসঙ্গে খাড়গেকে ধনকড়ের রসিক জবাব, ৪৫ বছরের বিবাহিত জীবনে কখনও মেজাজ হারায়নি
মণিপুর ইস্যুতে যখন রাজ্যসভা উত্তাল তখন তিনি বললেন , “৪৫ বছর ধরে সংসার করছি, কখনও মাথা গরম করিনি। আপনিও রাগ করবেন না।” দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড় বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেকে মাথা ঠাণ্ডা রাখার পরামর্শ দিতে গিয়ে এই কথা বললেন। জগদীপ ধনকড়-এর এই কথার উত্তরে মল্লিকার্জুন খাড়গে দাবি করেন, ধনখড় অবশ্যই রেগে যান কিন্তু তার প্রকাশ করেন না। দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদের এহেন কথোপকথনে হাসির রোল ওঠে সভাকক্ষে।
সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু থেকেই মণিপুর নিয়ে আলোচনার দাবিতে সংসদের উভয় কক্ষ উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবারও সংসদে মণিপুর প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু করেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। ২৬৭ ধারার অধীনে মণিপুর নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব আনা হয়। এই ধারা অনুযায়ী, অন্য সমস্ত বিষয় বাদ দিয়ে উল্লিখিত বিষয়টি নিয়েই শুধু আলোচনা করতে হবে। কিন্তু উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ২৬৭-এর বদলে ১৭৬ ধারায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা হতে পারে। অর্থাৎ খুব সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে হবে এই বিষয়ে। এই ইস্যুতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভা।
এদিন রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের উদ্দেশে মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, “আপনি জানতে চেয়েছিলেন, কেন ২৬৭ ধারায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা করতে হবে। সেই কারণও বিস্তারিতভাবে জানিয়েছিলাম। গতকালও এই বিষয়টি নিয়ে আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু আপনি মনে হয় রেগে গিয়েছিলেন।” কংগ্রেস সভাপতির এই কথা শুনে হেসে ফেলেন উপস্থিত সাংসদরা। হাসি ফুটে ওঠে উপরাষ্ট্রপতির মুখেও।
তার পরেই কংগ্রেস সভাপতির কথার জবাবে ধনখড় বলেন, “৪৫ বছরেরও বেশি বিবাহিত জীবন আমার। কিন্তু আমি কখনও রাগ করি না। আর চিদম্বরমজির মতো বিশিষ্ট আইনজীবীরা এখানে উপস্থিত আছেন। তাঁরা জানেন, আইনজীবীদের রাগ প্রকাশ করা উচিত নয়। আপনিও করবেন না স্যার।” এই কথার পাল্টা দিয়ে আবার খাড়গে বলেন, “আপনি অবশ্যই রাগ করেন কিন্তু সেটা প্রকাশ করেন না।”
❤ Support Us







