- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ১৬, ২০২৩
অনুব্রতগড়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জেলা সভাধিপতি হলেন “অনুব্রত বিরোধী” কাজল শেখ
অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতিতে বীরভূমে রাজনৈতিক ছবিটা এবার অনেকটাই বদলে গেল। বীরভূমের জেলা সভাধিপতি পদে বসলেন অনুব্রত মন্ডল বিরোধী হিসাবে পরিচিত কাজল শেখ। উপ সভাধিপতি হলেন স্বর্ণলতা সোরেন। এখন প্রশ্ন তাহলে কি একদা অনুব্রতর প্রতিপক্ষ কাজল শেখ এবার বীরভূম জেলার দায়িত্ব নিতে চলেছেন?
বুধবার বীরভূম জেলা পরিষদের বোর্ড গঠন হয়। বীরভূম জেলা পরিষদ এককভাবে দখল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ৫২টি আসনের মধ্যে মাত্র একটিতে জয়লাভ করতে পেরেছে বিরোধীরা। বুধবার জেলা পরিষদ গঠনের আগের দিনই বীরভূম জেলায় ছড়িয়ে পরে কাজল শেখ হতে চলেছেন বীরভূম-এর জেলা পরিষদের সভাধিপতি। জেলার রাজনীতির অঙ্গনে এর ফলে এক বিশাল পরিবর্তন ঘটতে যে আর বেশি বাকি নেই সেটাও গতকাল বীরভূম সহ রাজ্য রাজনীতিতে রোতে যায়।
বীরভূম জেলায় প্রথম থেকেই কাজল শেখ অনুব্রত মণ্ডলের বিরোধী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। নানুরের তৃণমূল নেতা হিসেবে কাজল শেখ ছিলেন পরিচিত। অনুব্রত মণ্ডল থাকাকালীন সেভাবে বীরভূমে নিজের আদিপত্য বিস্তার করতে পারেননি কাজল শেখ। অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার পরেই কাজল শেখের ভাগ্য খুলে যায়। জেলা তৃণমূলের কোর কমিটিতে জায়গা পায় কাজল। আর এবার জেলা পরিষদ থেকে জয়লাভ করে জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদে বসলেন কাজল শেখ।
যদিও জেলা পরিষদে জয়লাভের পর কাজল শেখের মুখে অনুব্রত মণ্ডলের নাম শোনা গেলেও অনুব্রত মণ্ডলের বিরোধী হিসেবেই পরিচিত থাকা কাজল শেখ সভাধিপতি পদে বসার পর, বীরভূম জেলা থেকে কী নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে অনুব্রত মণ্ডল গোষ্ঠী? এমনই প্রশ্ন কিন্তু এবার সামনে আসছে।
ইতিমধ্যেই বীরভূম জেলায় অনুব্রত মণ্ডলের গোষ্ঠী অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে গেছে বলা যায়।। তারই মধ্যে এবার কাজল শেখের সভাধিপতি হওয়া বীরভূম জেলার তৃণমূল রাজনীতির সমীকরণটি বদলে দেবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
এদিকে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা অনুপম হাজরা এখন কাজল শেখের সুনাম করছেন। কাজল শেখের সভাধিপতি হওয়াকে কেন্দ্র করে অনুপম হাজরার বক্তব্য, “আর যাই হোক আমি শুনেছি উনি অত্যাচারী নন। আমি কাজল শেখকে শুভেচ্ছা জানাই পাশাপাশি এটাও আবেদন করি মানুষের জন্য কাজ করতে। কাজল শেখের কাছে অনুরোধ যাতে তিনি তার জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কে অনুকরণ না করেন।”
❤ Support Us







