- দে । শ
- জানুয়ারি ৯, ২০২৩
প্রতিদিনের বাংলাদেশ। ঢাকায় আরও এক দৈনিকের জন্ম। লক্ষ্য, পরিপূর্ণ সংবাদ, সংবাদের আড়ালের সংবাদ
চিত্র: সংগৃহীত
গত কয়েক মাসের জোর প্রস্তুতি, হরকদমে নবাগত সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ আর মুক্তিযুদ্ধের আত্মপ্রত্যয়ী অঙ্গীকারকে, মর্ম ও কর্মে, ধারণ করে জন্ম নিল বাংলাদেশের নতুন দৈনিক ‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ’। ৮ জানুয়ারি প্রত্যাশার বিস্তৃতি জাগিয়ে প্রকাশিত হয় তার প্রথম সংখ্যা। ঝকঝকে ছাপা। বৈচিত্র্যে ভরপুর । পাতায় পাতায় দৈনন্দিন খবর এবং খবরের ভেতরের খবর। সম্পাদকীয়র পাশেই নাতিদীর্ঘ উপসম্পাদকীয়। গত শতাব্দীর ৮০ র দশকের গোড়ার দিকে, ঠিক এরকমই বহুমাত্রিক উচ্চারণে, সব ধরণের প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে প্রতিষ্পর্ধা ঘোষণা করেছিল কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘আজকাল’। সম্পাদক, গৌরকিশোর ঘোষ। প্রকাশক, প্রতাপ কুমার রায়। পত্রিকার অক্ষর বিন্যাস করেছিলেন চলচ্চিত্রের কালজয়ী পুরুষ সত্যজিৎ রায়। সে এক দুর্দান্ত সময়ের অপরাজেয়, অপ্রতিহত ইতিহাস। ওই বিস্মরণহীন মুহুর্তকেই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে ‘প্রতিদিনের বাংলা দেশ’। নামকরণে, সাংবাদিকতার শর্তে এবং আয়োজনের অভিমুখে।
নবজাত পত্রিকাটির সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি। প্রকাশক কাউসার আহমেদ অপু।
কাউসার সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সংস্থা রংধনুর কর্ণধার। বর্ণময় ব্যক্তিত্ব। নিরপেক্ষ এবং দূরদর্শী। সম্পাদক মুস্তাফিজ শফির জন্ম বৃহত্তর সিলেটের বিয়ানিবাজারে। লেখাপড়া স্থানীয় স্কুলে, পরে সিলেট আর ঢাকায়। রোম্যান্টিকতাময়, সুপরিচিত কবি। পেশাজীবনে তাঁর সাফল্যের ব্যাপ্তি সীমান্তহীন। বহু পুরস্কারে সম্মানিত তিনি। তাঁর গবেষণাধর্মী অন্তর্তদন্ত দেশের বহু শিক্ষায়তনের সাংবাদিকতার পাঠক্রমের অন্তর্ভূক্ত। মুস্তাফিজ শফি আর কাউসার আহমেদ দুজনেই স্বনির্মিত ভুবনডাঙার সফল কারিগর। নির্মাণে তাঁদের বন্দিশের চার হাত, একশো হাতের সমকক্ষ হয়ে উঠবে, এরকমই ভাবনা-চিন্তা অমূলক নয় হয়তো।
❤ Support Us





