Advertisement
  • দে । শ
  • এপ্রিল ৭, ২০২৫

সিপিআইএমের নতুন সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাংলার মীনাক্ষী মুখার্জি

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সিপিআইএমের নতুন সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাংলার মীনাক্ষী মুখার্জি

ভারতীয় মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির ব্যাটন উঠল মারিয়ম আলেকজান্ডার বেবির হাতে। দেশীয় রাজনীতিতে যিনি এমএ বেবি নামেই পরিচিত। তামিলনাডুর মাদুরাইতে অনুষ্ঠিত ২৪তম পার্টি কংগ্রেসে সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকেই সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পার্টি কংগ্রেসে ৮৫ জনের কেন্দ্রীয় কমিটিও গঠন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রয়েছেন ৫ জন নতুন সদস্য। দলের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন বিশিষ্ট যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি।

কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাংলার ১৩ জন প্রতিনিধি ছিলেন। সংগঠনের নিয়ম মেনে বয়সের কারণে সরে যেতে হয়েছে সূর্যকান্ত মিশ্র, রবীন দেব, অমিয় পাত্র, রেখা গোস্বামী ও অঞ্জু করকে। এই ৫ জনের জায়গায় কেন্দ্রীয় কমিটিতে এসেছেন যুব ফেডারেশনের সর্বভারতীয় সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি। কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ। তিনি ছাড়া বাংলা থেকে নতুন মুখ, গনতান্ত্রিক মহিলা সমিতির রাজ্য সম্পাদক কনীনিকা ঘোষ, দার্জিলিং জেলা সম্পাদক সমন পাঠক, হুগলি জেলার সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ ও পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক সৈয়দ হোসেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মীনাক্ষী মুখার্জি পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থীদের জন্য সবচেয়ে প্রভাবশালী যুব নেতাদের মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছেন। ৪০ বছর বয়সী এই নেত্রী ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও ভারতীয় জনতা পার্টির শুভেন্দু অধিকারীর মতো রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এবছর মাদুরাইতে পার্টি কংগ্রেসে তাঁকে সভাপতিমণ্ডলীতে বসানো হয়েছিল।
সিপিআইএমের নতুন সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি একসময় রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। কেরলের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। লোকসভা ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু জিততে পারেননি। বিদায়ী পলিটব্যুরোর বৈঠকে সাধারণ সম্পাদক পদে এমএ বেবির নামে আপত্তি জানিয়েছিলেন বাংলার তিনজনসহ বেশ কয়েকজন নেতা। তাঁরা চাইছিলেন কৃষক নেতা অশোক ধবলেকে। কেরল লবির চাপেই শেষপর্যন্ত বেবিকে বেছে নেওয়া হয়।

নতুন পলিটব্যুরোও গঠিত হয়েছে। পলিটব্যুরো থেকে বিদায় নিয়েছেন প্রকাশ কারাত, বৃন্দা কারাত, মানিক সরকার, সুভাষিনী আলি, জি রামকৃষ্ণান ও সূর্যকান্ত মিশ্র। নতুন এসেছেন শ্রীদীপ ভট্টাচার্য, কে বালকৃষ্ণান, ইউ বাসুকী, জিতেন্দ্র চৌধুরি, অমরা রাম, বিজু কৃষ্ণন, মরয়ম ধওয়েলে ও অরুম কুমার। পলিটব্যুরোর সদস্য সংখ্যা ১৭ থেকে বাড়িয়ে ১৮ করা হয়েছে। রাখা হয়েছে পিনারাই বিজয়নকেও।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!