Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মার্চ ৮, ২০২৩

দ্বিতীয় দফায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ মানিক সাহার।নাড্ডা, শাহর সঙ্গে আজ প্রদ্যোত দেববর্মার বৈঠক । সরকারে কি সামিল হবে ১৩টি আসনে বিজয়ী তিপরা মোথা পার্টি ?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
দ্বিতীয় দফায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ মানিক সাহার।নাড্ডা, শাহর সঙ্গে আজ প্রদ্যোত দেববর্মার বৈঠক । সরকারে কি সামিল হবে ১৩টি আসনে বিজয়ী তিপরা মোথা পার্টি ?

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পরে বুধবার দ্বিতীয়বারের জন্যে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মানিক সাহা। এদিন আগরতলার বিবেকানন্দ ময়দানে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরও আটজন মন্ত্রী। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডু, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং, সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং প্রমুখ।

মানিক সাহা ২০১৬ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর ২০২০ সালে ত্রিপুরায় দল পরিচালনার দায়িত্ব এসে পড়ে তাঁর কাঁধে। ২০২২ সালে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। ওই বছরই ত্রিপুরার তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।

গত সোমবার নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়করা সর্বসম্মতভাবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মানিক সাহার নাম প্রস্তাব করেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা টুইট করে বলেছেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের উন্নয়নে কাজ করবে রাজ্য সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ‘উন্নত ত্রিপুরা, শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা’ গঠনই একমাত্র লক্ষ্য। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা কংগ্রেস প্রার্থী আশিস কুমার সাহাকে ১ হাজার ২৫৭ ভোটে পরাজিত করেছেন।

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে ৩২টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের হার ৩৯ শতাংশ। এছাড়া সিপিএম প্রার্থীরা ১১টি এবং কংগ্রেস তিনটি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া ইন্ডিজেনাস পিপল’স ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা একটি আসনে জয়লাভ করেছে। উল্লেখ্য, ত্রিপুরা বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ৬০।

আসন সংখ্যার নিরিখে দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দল তিপরা মোথা পার্টি। ১৩টি আসনে জয়লাভ করেছেন তিপরা মোথা পার্টির প্রার্থীরা। প্রসঙ্গত, তিপরা মোথা পার্টি এই প্রথম রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চোখধাঁধানো সাফল্য পেল।

বিজেপির সঙ্গে তিপরা মোথা পার্টি হাত মিলিয়ে সরকারে যাবে কিনা সেও এখন সময়ের অপেক্ষা। এদিন তিপরা মোথা পার্টির নেতা প্রদ্যোত মানিক্য দেববর্মা টুইট করে সমর্থদের উদ্দেশে বলেছেন, অপেক্ষা করুন, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখুন। আমরা বিজেপির সঙ্গে সমঝোতা করতে রাজি নই। প্রসঙ্গত, তিপরা মোথা পার্টি পৃথক রাজ্যের দাবিদার। আগরতলায় আজই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে তিপরা মোখা পার্টির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকে বসার কথা।

২০১৮ সালের আগে রাজ্য বিধানসভায় বিজেপির একটি আসনও ছিল না। ১৯৭৮ সাল থেকে পরবর্তী ৩৫ বছর ত্রিপুরার শাসন করেছে বামেরা। বিজেপিকে সরাতে বামশাসিত কেরলে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম এবং কংগ্রেস ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে পরস্পরের সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় হেঁটেছে।বাম ও কংগ্রেসের একত্রে প্রাপ্তভোটের হার ৩৩ শতাংশ। এবছরের নির্বাচনে বাম প্রার্থীরা ৪৭টি এবং কংগ্রেস ১৩টি আসনে লড়াই করেছেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!