Advertisement
  • দে । শ ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
  • এপ্রিল ২৯, ২০২৩

“দ্য কেরালা স্টোরি” স্ক্রিনিং বন্ধের দাবি উঠলো কেরলে।চিত্রনাট্যে প্রামাণ্য তথ্যের অভাব নিয়ে অভিযোগ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
“দ্য কেরালা স্টোরি” স্ক্রিনিং বন্ধের দাবি উঠলো কেরলে।চিত্রনাট্যে প্রামাণ্য তথ্যের অভাব নিয়ে অভিযোগ

বহু বিতর্কিত “দ্য কেরালা স্টোরি” আগামী ৫ই মে কেরলে মুক্তি পেতে চলেছে । গত বছর নভেম্বর থেকেই এই ছবিকে নিয়ে চূড়ান্ত বিতর্ক চলছে।জোর করে কেরলের হিন্দু ও খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণ এবং আইসিসে যোগদান করানোর হাড়হিম করা প্রেক্ষাপটে সাজান হয়েছে বাঙালি চিত্র পরিচালক সুদীপ্ত সেনের এই ছবি। এবার বাম শাসিত কেরল সরকারের কাছে এই ছবির স্ক্রিনিং বন্ধ করে দেওয়ার আর্জি জানাল কংগ্রেস। তাঁদের অভিযোগ, এটি একটি “প্রোপাগ্যান্ডা” ছবি। এই ছবির মাধ্যমে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন সিনেমার নির্মাতারা। তাই এই ছবি দেখানো বন্ধ করা উচিত।

গত বছর নভেম্বর মাসে ছবির টিজার মুক্তি পাওয়ার পর থেকে গোটা কেরল জুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল। ফের একবার সেই ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ল।বলা হচ্ছে, ২০১৬ সালে উত্তর কেরলের ২১জন মেয়ের গায়েব হওয়ার বাস্তব ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে “দ্য কেরালা স্টোরি”র গল্প সাজিয়েছেন পরিচালক সুদীপ্ত সেন। জানা যায়, সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আইসিস- যোগ দিয়েছিল কেরলের ওই ২১জন বাসিন্দা। এই ছবির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এবং প্রযোজকের ভূমিকায় রয়েছেন বিপুল শাহ।

এই ছবির ট্রেলারে তথ্যগত ভুলভ্রান্তি রয়েছে বলে দাবি করেছে কেরলের একাধিক রাজনৈতিক দল।পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা যাচাই এর দাবিও তুলেছেন একাধিক সাংবাদিক। কেরল কী ভাবে সন্ত্রাসবাদীদের ‘সেফ হেভেন’ হয়ে উঠেছে তা তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। এই বিষয়টি ঘিরেই বিতর্ক। কংগ্রেস নেতা ভি ডি সাথীসান জানান,”এই ছবি জুড়ে রয়েছে মিথ্যাচার। ছবির টিজারে দেখানো হয়েছে, কেরল থেকে ৩২,০০০ মহিলাকে ধর্মান্তরিত করে নিয়ে তাদের সিরিয়া ও আফগানিস্তানে আইএসআইয়ের প্রশিক্ষণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটা আমাদের রাজ্য় ও একটি ধর্মের মানুষের প্রতি অপমানকর, আর এর পিছনে রয়েছে সঙ্ঘীদের হাত’।

এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন আদা শর্মা, যোগিতা বিহানি, সোনিয়া বালানি এবং সিদ্ধি আদানির। শুধু কংগ্রেসই নয়, সিপিএমএর শাখা সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন পর্যন্ত এই ছবির মুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারির আর্জি জানিয়েছে রাজ্য সরকারের কাছে। তাঁদের কথায়, ‘সঙ্ঘ পরিবার সিনেমার মতো জনপ্রিয় মাধ্যমকে হাতিয়ার করে নির্দিষ্ট একটি রাজ্য এবং একটি বিশেষ ধর্মের মানুষকে অপমান করছে।”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!