- দে । শ
- মে ২৯, ২০২৫
কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে বিরলদর্শন ‘মারমেইড’ শিশুর জন্ম, চিকিৎসকদের প্রচেষ্টাতেও বাঁচানো গেল না সদ্যজাতকে
জন্ম হল ‘মৎস্যকন্যা’র। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে। মৎস্যকন্যাই বটে। কারণ সদ্যোজাত শিশুর শরীরের উপরের অংশটা মানুষের মত। কোমর থেকে নীচের অংশটা মাছের ল্যাজার মত। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই বিরলদর্শন শিশুকন্যার জন্ম হয়। অপারেশন করেন কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল।
জানা গেল, কাটোয়ার গ্রাম এলাকার এক বধূ প্রসববেদনা নিয়ে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে রবীন্দ্রনাথবাবুর তত্ত্বাবধানে ভরতি হন। সঙ্গে সঙ্গেই সিজারের দরকার হয়। অস্ত্রোপচারের পর এই বিশেষ চেহারার শিশুর জন্ম হয়। রবীন্দ্রনাথবাবু জানান, ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই বিশেষ আকৃতির শিশুকে ‘মারমেইড (Mermaid) গার্ল’ বলা হয়। দেহের উপরিভাগ মানব শরীর হলেও কোমরের নিচ থেকে পাদুটো জোড়া লেগে মাছের ল্যাজার মত দেখতে লাগে।’ শিশুটিকে সুস্থ রাখতে চিকিৎসকরা কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের এসএনসিইউতে রেখে বিশেষ চিকিৎসা শুরু করেন। অবশ্য সব চেষ্টা ব্যর্থ করে জন্মানোর ঘন্টা পাঁচেক বাদেই মৃত্যু হয় ওই শিশুকন্যার। উল্লেখ্য যে, রূপকথা বা গ্রিক গল্পে মৎস্যকন্যাদের কথা শোনা যায়। হাসপাতাল সূত্রের খবর, এই অদ্ভুত দর্শন চেহারার শিশুদের অস্ত্রোপচার করে বাঁচানো যায় না। রবীন্দ্রনাথবাবুর কথায়, ‘তবে ওই শিশুকে বাঁচাতে আমরা খুবই চেষ্টা করেছি।’ তবে রবীন্দ্রনাথবাবু দীর্ঘ ৩৩ বছরের চিকিৎসক জীবনে এমন ‘মৎস্যকন্যার’ জন্ম এই প্রথম দেখলেন বলে জানান।
❤ Support Us





