Advertisement
  • দে । শ
  • জুলাই ৬, ২০২৩

পঞ্চায়েতে তৃণমূলের ভোট প্রচারে এবার “মা লক্ষ্মী”

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পঞ্চায়েতে তৃণমূলের ভোট প্রচারে এবার “মা লক্ষ্মী”

পঞ্চায়েত নির্বাচনের বৈতরণী পার করতে তৃণমূলের এবারের ভরসাও সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে তাই লক্ষ্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূলের হয়ে এক অভিনব প্রচার চালাচ্ছেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ঘোষণা ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল সহায়তা দিয়েছে। এখন রাজ্যের মহিলারা কেউ ৫০০ কেউ ১০০০ টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা প্রতি মাসে নিজেদের ব্যাংকে পাচ্ছেন। এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে হাতিয়ার করে বিরোধী বিজেপিও রাজ্যে প্রচার করছে। পাশাপাশি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল প্রতিটি পঞ্চায়েতে  নির্বাচনের সভায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে সামনে রেখে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল। রাজ্যের মহিলাদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করেছে সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, এই প্রকল্পের সাফল্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন। প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে পাচ্ছেন মহিলারা। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে পঞ্চায়েত ভোটে জেতানোর আবেদন জানিয়ে বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাওয়া স্বয়ং লক্ষ্মী। লাল বেনারসি, ভারী গয়না, কপালে মুকুট, হাতে লক্ষ্মীর ভাঁড় নিয়ে তাঁরা তৃণমূলের ভোট প্রচারে নেমেছেন। ঘুরে বেড়াচ্ছেন গ্রামের রাস্তায়, বাড়িতে। বাড়ি বাড়ি পৌঁছে মহিলাদের কাছে আবেদন করছেন তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য। এই অভিনব প্রচার দেখা গিয়েছে ঘাটাল ব্লকের বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধানগর গ্রামে।

ঘুম থেকে দরজা খুলেই মহিলারা দেখছেন দুয়ারে দাঁড়িয়ে স্বয়ং মা লক্ষ্মী ! হাতে লক্ষ্মীর ভাঁড়। হঠাৎ করে এই দৃশ্য দেখে প্রথমটায় বোঝা যাচ্ছে না এটা ভোট প্রচার। একটু পরেই  মা লক্ষ্মী বলে উঠছেন, ‘‘আমাকে মা মমতা তোদের দুয়ারে পাঠিয়েছেন। এই যে আমার হাতের লক্ষ্মীর ভাঁড়- এটা কোনওদিন শেষ হবে না। তবে আমার ভাইদের জোড়াফুলে ভোটটা দিবি। মা আমাকে বলে পাঠিয়েছেন।’’গ্রামে বাড়ি বাড়ি ঘুরে তৃণমূলের হয়ে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে এই লক্ষ্মীরা বেশ সারা ফেলেছেন। মমতার হয়ে ভোট চাওয়া মা লক্ষ্মীকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছে গ্রামের সব বয়েসের মানুষ।

রাজ্যের বিভিন্ন গ্রামে এই লক্ষ্মীরা প্রচার চালিয়েছেন তৃণমূলের হয়ে। একমাত্র রাধানগর নয়, নবগ্রাম, সিংহডাঙার মতো একাধিক গ্রামে এভাবেই প্রচার করছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। সঙ্গে রয়েছেন গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলাপরিষদের প্রার্থীরাও। মূলত এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে কেন্দ্র করেই প্রচার চলছে গ্রামে গ্রামে। সেটাই হয়ে উঠেছে তৃণমূলের হাতিয়ার। অনেকে আবার এও বলছেন, সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেসকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়ে যাবে। মূলত মহিলা ভোটারদের কাছে টানতেই এহেন প্রচার করছে তৃণমূল।

তৃণমূল যখন এই ভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে প্রচারের হাতিয়ার করছে তখন বিজেপি বলছে তারা ক্ষমতায় এলে ২ হাজার টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেবে, যদিও পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই বিজেপি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে দেন-খয়রাতি বলে সমালোচনা করেছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!