- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২১, ২০২৫
শীর্ষ আদালতে জামিন পেলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর অধ্যাপক । মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে মামলা, পুলিশি তদন্তে স্থগিতাদেশ নয়, নির্দেশ শীর্ষ আদালতের
আপরেশন সিন্দুর নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত পোস্টের জেরে গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলী খান মাহমুদাবাদ । পরে স্থানীয় আদালত তাঁকে ৭ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফজতের নির্দেশ দেয় । গ্রেফতারির বিরোধিতা করে দেশের শীর্ষ আদালতে আবেদন করেন অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক । সেই মামলার শুনানিতেই সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ অধ্যাপকের জামিন মঞ্জুর করেছে । যদিও নিম্ন আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলা এবং পুলিশি তদন্ত নিয়ে কোনো স্থগিতাদেশ দেননি বিচারক সূর্যকান্ত এবং এন কোটিশ্বর সিং এর বেঞ্চ ।
শীর্ষ আদালতে দুই বিচারকের ডিভিশনাল বেঞ্চে এই মামলার শুনানিতে বলেন, সংবিধান বাক স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু যখন দেশে নিরীহ মানুষদের ওপর বহিঃ অপশক্তি হামলা চালাচ্ছে, হত্যা করছে, তখন দেষের মানুষদের ঐক্যবদ্ধ থাকাটাই কাম্য । অধ্যাপক যে মন্তব্য করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়, তার জন্য এটি সঠিক সময় নয় । এটা একধরনের সস্তা প্রচার পাওয়ার কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয় । সওয়ালে আইনজীবী কপিল সিব্বাল বলেন, অধ্যাপক আলী খান মাহমুদাবাদর পোস্ট কোনো অপরাধমূলক মন্তব্য নয় । উত্তরে আদালতের তরফে বলা হয়েছে, বাকস্বাধীনতার পাশাপাশি, দেশের নিরাপত্তা এবং সর্বভৌমত্তের প্রশ্নে দেশের একজন নাগরিকের কর্তব্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ ।
হরিয়ানার অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক আলী খান মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহিতা’, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং ভারতীয় সৈন্যদের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি নেতা যোগেশ যাত্রী এবং হরিয়ানা মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন রেনু ভাটিয়া সেই মন্তব্যের জেরে সোনিপত থানায় অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এফআই আর দায়ের করে । পরে সামাজিক মাধ্যমে করা মন্তব্যের জন্য হরিয়ানা মহিলা কমিশন আলী খান মাহমুদাবাদকে তলব করলেও এড়িয়ে যান তিনি । শেষে ১৮ মে নিজের বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ । মঙ্গলবার স্থানীয় আদালত এই মামলায় বিচারবিভাগীয় হেফজাতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় । যদিও গ্রেফতারির পর থেকেই দেশের শীর্ষ আদালতে তাঁর হয়ে আপিল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বাল ।
❤ Support Us





