Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ৩১, ২০২৩

চলন্ত ট্রেনে গুলি চালাল আরপিএফ কনস্টেবল, ঘটনায় এক পুলিশকর্মী সহ ৪ জনের মৃত্যু হল

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
চলন্ত ট্রেনে গুলি চালাল আরপিএফ কনস্টেবল, ঘটনায়  এক পুলিশকর্মী সহ ৪ জনের মৃত্যু হল

সোমবার ভোর বেলায় চলন্ত ট্রেনে আরপিএফ জওয়ান গুলি করে চার জনের প্রাণ কেড়ে নীল, এরমধ্যে এক পুলিশ কর্মী রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার ভোরে। মুম্বইগামী জয়পুর এক্সপ্রেসের ভিতরে রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনীরই এক জওয়ান আচকাই গুলি চালান , তার ফলেই এই ঘোঁতন ঘটেছে। এ পর্যন্ত পাওয়া খবরে এই ঘটনায় চারজন মারা হারিয়েছেন। অভিযুক্ত আরপিএফ জওয়ানকে গ্রেফতার করে বোরিভালি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ট্রেনটি যখন মহারাষ্ট্রের পালঘরের কাছে ছিল, তখন গুলি চালায় অভিযুক্ত জওয়ান। এই ঘটনার জেরে ১ এএসআই ও একাধিক যাত্রী গুলিবিদ্ধ হন। এর মধ্যে পুলিশকর্মী সহ চারজনের মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত কনস্টেবল তার সার্ভিস বন্দুক থেকেই গুলি চালিয়েছেন।

জানা গেছে, ১২৯৫৭৬ নং জয়পুর এক্সপ্রেস ট্রেনের বি-৫ কামরায় এই ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে আজ ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে রেলের এক কর্তা জানান, “এসকর্ট ডিউটিতে থাকা সিটি চেতন নামক একজন এসকর্ট ইনচার্জ এএসআইকে গুলি করেছে। ট্রেনটি বোরিভালিতে পৌঁছলে সেই জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, এএসআই ছাড়াও তিনজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু ঘটেছে এই ঘটনায়। ডিসিপি উত্তর জিআরপিকে ঘটনার বিষয়ে জানানো হয়েছে।”

মৃত পুলিশকর্মীর নাম টিকা রাম মীনা। নিজের সিনিয়রকে বি-৫ কামরায় গুলি করে হত্যা করার পর অভিযুক্ত চেতন অন্য কামরায় যায়। সেখানে তিন যাত্রীকে গুলি করে খুন করে সে। তাঁদেরকে গুলি চালানোর পর দহিসার স্টেশনের কাছে ট্রেনটি চেন টেনে থামায় সেই আরপিএফ কনস্টেবল। এরপর ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেয়। রেল পুলিশ ও অন্য আধিকারিকদের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত কনসেটবলকে ধরে ফেলে। এদিকে কী কারণে চেতন এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত আরপিএফ কর্মীকে জেরা করা হচ্ছে। আজই তাকে আদালতেও তোলা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

এই ঘটনায় পশ্চিম রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেন, “আজ একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় ট্রেন নম্বর ১২৯৫৬ জয়পুর-মুম্বই সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের এসকর্টিং স্টাফ কনস্টেবল চেতন কুমার তার সহকর্মী এসকর্ট ইনচার্জ এএসআই টিকা রামকে গুলি করে মেরেছেন। এরপর সেই কনস্টেবল তিনজন যাত্রীকে বন্দুক দেখিয়ে আটকে রেখেছিলেন। পরে তাদেরও গুলি করে খুন করে সে। এএসআই টিকা রাম এবং তিনজন যাত্রীর মৃত্যুতে আমরা দুঃখিত। কনস্টেবল চেতন কুমার দহিসারের কাছে নেমে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু অস্ত্র সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।”

কোনও মানসিক অবসাদে ওই অভিযুক্ত আরপিএফ কর্মী ভুগছিলেন কি না বা তাঁর অন্য কোনও সমস্যা ছিল কি না সেটা তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছে বলে পশ্চিম রেল সূত্রে জানা গেছে। তবে এই ঘটনায় রেলের সুরক্ষা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠে গেল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!