জেল লাইব্রেরি থেকে দুটি করে বই নেয় এবং দ্রুত পড়া শেষ করে আমাকে দেয় একটি করে পড়তে। দীর্ঘদিন সে-বইগুলো ছিল প্রফুল্ল রায়ের উপন্যাস। এভাবেই ধনঞ্জয় পড়ে আর আমাকে পড়ায় ‘সিন্ধু পারের পাখি’, ‘মহাযুদ্ধের ঘোড়া’, ‘আমাকে দেখুন’, ‘অতল জলের দিকে’, ‘শঙ্খিনী’, ‘নোনাজল মিঠে মাটি’, ‘আকাশের নীচে মানুষ’ ।
Copy and paste this URL into your WordPress site to embed
Copy and paste this code into your site to embed