- দে । শ
- অক্টোবর ২৯, ২০২২
মহিলাদের গর্ভধারণ অধিকারের বয়স নিয়ে কেন্দ্রের কাছে প্রতিক্রিয়া চাইল সুপ্রিম কোর্ট
প্রাক–গর্ভধারণ এবং প্রাক–প্রসবকালীন ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার জন্য মহিলাদের গর্ভধারণ অধিকারে ৩৫ বছর বয়সের সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রতিক্রিয়া চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মহিলাদের গর্ভধারণ অধিকারের বয়সের ওপর নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে একটা দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এসকে কৌল এবং অভয় এস ওকার বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিষয়টি নিয়ে মতামত চেয়েছে।
আইন অনুসারে গর্ভবতী মহিলার বয়স ৩৫ বছরের বেশি হওযা যাবে না এবং প্রাক–জন্মকালীন ডায়াগনস্টিক কৌশল ব্যবহার করা যাবে না। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন মীরা কৌরা নামে এক আইনজীবী। তাঁর আবেদনের শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায়, প্রাক–গর্ভধারণ এবং প্রাক–জন্মকালীন অবস্থায় লিঙ্গ নির্বাচনের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে ১৯৯৪ সালে রচিত আইনের ৪ (৩ আই) ধারায়।
মহিলাদের প্রজনন অধিকারের ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই বলেছিল যে, গর্ভধারণের মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি (এমটিপি) আইনের অধীনে সমস্ত মহিলারা গর্ভাবস্থার ২৪ সপ্তাহ পর্যন্ত নিরাপদ এবং আইনী গর্ভপাতের অধিকারী। দেশের শীর্ষ আদালত বলেছিল, দেশের সব নারীই নিরাপদে গর্ভপাত করাতে পারবেন। গর্ভপাতের ক্ষেত্রে বিবাহিত এবং অবিবাহিত মহিলাদের মধ্যে ফারাক করা ‘অসাংবিধানিক’ বলেও উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালত রায় দিয়েছে, ভারতে এখন ২০ থেকে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে অবিবাহিত মহিলারাও গর্ভপাত করাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ২০২১ সালের ‘মেডিক্যাল টার্মিনেশন অব প্রেগন্যান্সি অ্যাক্ট’ সংশোধনের প্রসঙ্গ তুলেছে আদালত।
❤ Support Us





