- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ৭, ২০২৩
পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও স্বনির্ভর করতে আইআইএম এর সহায়তা নেবে রাজ্য
পঞ্চায়েতের কাজে গতি, সচ্ছতা ও আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টের সহায়তা নিতে চলেছে রাজ্য সরকার । পঞ্চায়েতের নতুন বোর্ড গঠনের আগেই গ্রামীণ অর্থনীতিকে মজবুত করার প্রয়াসে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকারের আমলাদের একটা বড়ো অংশ মনে করছে, এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও মজবুত হবে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করে কাজের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিচ্ছেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য, সমিতির সদস্য, জেলা পরিষদের সদস্যরা আছেন। তাহলে কেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ মানাজেমেন্টের সহায়তা লাগছে ? তাহলে কি দুর্নীতি এতো করেও আটকানো যাচ্ছে না?
আসলে কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে সঠিক সময়ে বরাদ্দকৃত অর্থ রাজ্যের হাতে সঠিক সময়ে কেন্দ্র দেয় না। এই মুহূর্তে কেন্দ্রের কাছে ১০০ দিনের কাজ, গ্রাম সড়ক যোজনা, প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনার ২০ হাজার কোটি টাকা আটকে রয়েছে। এই অবস্থায় রাজ্যের গ্রামীণ অর্থনীতিকে বিকল্প উপযায়ে চাঙ্গা করতেই এই প্রয়াস। এর আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ১০০ দিনের কাজ রাজ্যের নিজস্ব তহবিলের তাকে করা হচ্ছে। কেন্দ্র টাকা না দিলেও এই প্রকল্পের কাজ চলবে। রাজ্য এখন ভাবছে, কেন্দ্রের মুখের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজস্ব আয় বাড়াতে , তাই এই ব্যবস্থা রাজ্য নিচ্ছে।
নবান্নে সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে পঞ্চায়েতের আধিকারিক, জেলা শাসক, ভিডিও, এসডিও-দের নিয়ে দেখি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, কেন্দ্রের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকার বদলে রাজ্যের নিজস্ব আয় বাড়াতে হবে। তার জন্য একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন জেলা শাসকদের ও জেলার আধিকারিকদের দেখানো হয়। ওই বৈঠকেই স্থির হয়, গ্রামীণ অর্থনীতিকে মজবুত করতে, গ্রামীণ অর্থনীতিকে নিজস্ব আয়ের নিরিখে বাঁচিয়ে রাখতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজেমেন্টের সহায়তা নেওয়া হবে। রাজ্য চাইছে পৌরসভার সব কাজ যেমন এখন অনলাইনে করা হয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকেও পুরোপুরি অনলাইনে পরিচালিত করা গেলে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার স্বচ্ছতা যেমন আসবে তেমন আয় বাড়বে। তবে এই কাজ করাটা যদিও খুব সহজ কথা নয়।
❤ Support Us







