- দে । শ
- জুন ১৬, ২০২৫
২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি, সন্দেশখালিতে তৃণমূলের কর্মীসভা
সন্দেশখালিতে তৃণমূলের সভায় যোগ দিলেন প্রতিবাদী মহিলারা। ২১ জুলাইয়ের আগে সন্দেশখালিতে তৃণমূলের কর্মীসভা জনসভার চেহারা নিল। এদিন সভায় বিজেপি , সিপিএম থেকে প্রায় ২ হাজার মানুষ তৃণমূলে যোগ দেন। তাদের মধ্যে গত বছর সন্দেশখালিতে রাজ্যে শাসকদলের বিরুদ্ধে যেসব মহিলার আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন তাঁরাও এদিন সভায় আসেন। তাঁদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন সুজিত বসু ও বীরবাহা হাঁসদা। সুজিত বসু বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘ভোট এলেই তারা ২০০ পার করার কথা বলেন। আর ততই সংখ্যা কমতে থাকে। কারণ আপনাদের কথা বাংলার মানুষ বিশ্বাস করে না। আপনাদের কথা দেশের মানুষ বিশ্বাস করেনা। যদি ভারতবর্ষের মানুষ বিশ্বাস করত তাহলে আপনাদের ২৭৩ থেকে ২৪০ এ নেমে আসত না।’ তিনি বলেন, ২৬–র নির্বাচনে আবার তৃণমূলেরই সরকার হবে। যদি এই মূহুর্তে ভোট হয় তাহলে এই বসিরহাট লোকসভা আসনের সব ক’টি বিধান সভাতেই তৃণমূল জিতবে। তিনি বলেন, ২১ জুলাই নেত্রী মমতা ব্যানার্জি বার্তা দেবেন।শুভেন্দু অধিকারিরা বাংলাকে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খন্ড বানাতে চাইছে। বাংলায় যে শান্তি, সম্প্রীতি, ঐক্য রয়েছে সেটাকে নষ্ট করে বিভাজন তৈরি করে অশান্ত করে তোলাই বিজেপির উদ্দেশ্য। এদিন সন্দেশখালিতে বিশাল জনসভা করে বিজেপির যড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সরব হল। কয়েকদিন আগে সন্দেশখালির কানমারি ভারত সেবাশ্রম মাঠে সভা করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি উস্কানিমূলক বক্তৃতায় মহিলাদের শাঁখা, পলা, সিঁদুরকে তাচ্ছিল্য করে যেভাবে বাংলার মা–বোনকে অসম্মান করেছিলেন তার প্রতিবাদে আজ ওই একই মাঠে সভা করে তৃণমূল। সেখানে শুভেন্দুর সভার ৪ গুণ লোক হয়েছিল। মহিলাদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। যোগ দেন সন্দেশখালির আন্দোলনের মহিলারাও। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন, রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু, বিরবাহা হাঁসদা, বিধায়ক সুকুমার মাহাত, রফিকুল ইসলাম, ঊষারানি মন্ডল রবিউল ইসলাম প্রমুখ। বিরবাহা হাঁসদা বলেন, বিজেপি বাংলার মানুষকে মিলেমিশে শান্তিতে থাকতে দেবেনা। অসমের আদিবাসীরা কান্নাকাটি করে। অসমের আদিবাসীদের নিজেদের পরিচয়ে বাঁচতে দেয় না বিজেপি। শুভেন্দুর নাম না করে বীরবাহা বলেন, অনেক আসবেন , বড় বড় কথা বলে যাবেন। উনি মমতার ব্যনার্জির দয়ায় বিভিন্ন ক্ষমতা ভোগ করেছেন। এখন মুখমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। মনে রাখবেন বাংলার মানুষ মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে যতদিন থাকবেন আপনার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন ভেস্তে যাবে।’ তিনি বলেন, আপনারা মমতা ব্যানার্জির নাম বলুন। আমরা তৃণমূল কংগ্রেস করি, অন্যকে গুরুত্ব দিয়ে লাভ কী। তিনি বলেন, ভোট এলে কেউ কেউ বলছেন লক্ষ্মী ভান্ডার ৩ হাজার টাকা করে দেবেন। আমি বলব, আগে বিজেপি শাসিত রাজ্যে ৩ হাজার টাকা করে চালু করে দেখিয়ে দিন।
❤ Support Us






