Advertisement
  • দে । শ
  • জানুয়ারি ২৮, ২০২৩

জেরুজালেমে বন্দুক হানা, ১ শিশু সহ মৃত ৭, আহত তিন। নেপথ্যে কি হামাস? সন্দেহ ইস্রায়েলি গোয়েন্দাদের

হামলায় নিন্দায় সরব ব্রিটেন ও আমেরিকা, পাশে থাকার বার্তা দুই দেশের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
জেরুজালেমে বন্দুক হানা, ১ শিশু সহ মৃত ৭, আহত তিন। নেপথ্যে কি হামাস? সন্দেহ  ইস্রায়েলি গোয়েন্দাদের

জেরুজালেমে ইহুদি উপাসনালয় সিনাগগে গুলি চালাল এক দুষ্কৃতী। হামলায় নিহত হয়েছেন ৭ জন। আহত ৩ জন। নিহতদের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর।

জেরুজালেমের পূর্বাংশে অবস্থিত নেভ ইয়াকভ এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হচ্ছে যে শুক্রবার রাত আটটার দিকে স্থানীয় একটি উপাসনালয়(সিনাগগ) থেকে প্রার্থনাকারীরা যখন বেরিয়ে আসছিলেন সে সময় গুলি চালায় এক ব্যক্তি। একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে এক শিশু ছাড়াও রয়েছেন সত্তর বছরের এক বৃদ্ধা। রক্ষা পায়নি হামলাকারীও। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনায় মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। দেশের মানুষকে সংযত ও শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন। নিজের হাতে আইন যেন না তুলে নেন সে ব্যাপারে দেশবাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

বন্দুকবাজের হামলায় ফিলিস্তিনিদের মদত রয়েছে বলে জানাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ। গাজা ভূখণ্ড ও জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে প্যালেস্টাইন-ইজরায়েলের সংঘাত বহু দিনের। সেই বিরোধের প্রেক্ষিতেই এই আক্রমণ বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। অন্যদিকে সিনাগগে ইহুদি উপাসনাকারীদের ওপর গুলি চালনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। মার্কিন সংবাদ সচিব ক্যারিন জা পিরেন সিনাগগে সাধারণ মানুষের ওপর বন্দুকধারীর আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। মানুষের জীবনহানি অত্যন্ত বেদনা দায়ক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। পাশাপাশি এই ঘটনায় আমেরিকার ইস্রায়েলের পাশে রয়েছে বলে জানান ক্যারিন। রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনও ইস্রায়েলকে সহযোগিতার কথা বলেছেন । পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে গ্রেট ব্রিটেনও। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লিভারলি টুইট করে জানিয়েছেন, এই হামলা ভয়ংকর।

কয়েকদিন আগে ওয়েষ্ট ব্যাঙ্কে শরণার্থী শিবিরে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েলি সেনা। এই ঘটনায় ১০ জন মারা যান। গুরুতরভাবে জখম হন ২০ জন। সেই ঘটনার প্রত্যুত্তরে এই আক্রমণ কিনা তার উত্তর খুঁজছে পুলিশ। প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন, ১৯৬৭ সালে নেভ ইয়াকভ শহরটিকে ইস্রায়েলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এই সংযুক্তিকরণকে খুব ভালো ভাবে মেনে নেয়নি প্যালেষ্টাইন। তাদের কাছে এটা অবৈধ দখলদারি ছাড়া কিছু নয়। বহু আন্তর্জাতিক সংগঠনও এব্যাপারে তাদের দাবির সমর্থক।  জেনিনে হামলার ‘বদলা নেওয়া হবে’, শুক্রবার সকালেই দাবি করেছিল হামাস। তারপরের রাতেই হামলা। তাই ফিলিস্তিনি জঙ্গী সংগঠনের জড়িত থাকাকে কোনোমতেই অস্বীকার করতে চাইছেন না তদন্তকারী আধিকারিকরা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!