- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
মঙ্গলবারের মাধ্যমে সমাধান চায় নবান্ন, হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি জুনিয়র চিকিৎসকদের
জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের ইগোর লড়াই এই মুহূর্তে চরম পর্যায়ে। কয়েকটা বিষয়ে রাজ্য সরকার নমনীয় হলেও, জুনিয়র চিকিৎসকরা নিজেদের দাবিতে অনড়। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শর্তের জটিলতায় ভেস্তে গেছে বৈঠক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বৈঠকের জন্য নবান্ন সভাঘরে প্রায় ২ ঘন্টা বসে থাকার পর নিজের কেবিনে ফিরে যান। তবে এখনও আলোচনার রাস্তা খোলা রাখছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবারের মধ্যেই জটিলতা কাটিয়ে সমাধানসূত্র বার করে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফেরাতে চায়। এর মাঝেই রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চাইলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।
প্রথম থেকেই নবান্নের সঙ্গে বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি জানিয়ে আসছিলেন আন্দোলনরত জুনিয়ার চিকিৎসকরা। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে পৌঁছানোর পরেও এই ইস্যুতে অনড় থাকেন। আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা এই ব্যাপারে প্রশাসনিক আধিকারিকদের জানান। বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিংয়ে আপত্তি জানান প্রশাসনিক আধিকারিকরা। বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিংয়ের পরিবর্তে ভিডিও রেকর্ডিং করার কথা বলা হয়। আর এই দাবি পাল্টা দাবিতেই সমাধান আটকে।
প্রশ্ন উঠছে, এই অচলাবস্থা কতদিন চলবে? সূত্রের খবর, জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে সমাধানসূত্র বার করা না গেলে সুপ্রিম কোর্টের মুখাপেক্ষী হয়েই থাকবে নবান্ন। ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আর জি কর মামলার শুনানি। তবে সরকার চায় মঙ্গলবারের আগেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বার করতে। কারণ, রাজ্যের ঘরোয়া সমস্যা মেটানোর জন্য যদি সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়, সেটা রাজ্য সরকারের কাছে লজ্জার। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল ১০ তারিখ বিকেল ৫টার মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দিতে হবে। সেই নির্দেশ মানেননি জুনিয়র চিকিৎসকরা।
এই অচলাবস্থার মাঝেই শুক্রবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদি মুর্মুর কাছে চিঠি পাঠালেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। রাষ্ট্রপতিকে ইমেল করা হয়েছে। সেই চিঠিতে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।
❤ Support Us





