Advertisement
  • দে । শ
  • নভেম্বর ১৪, ২০২৫

বিএলও-দের ক্ষোভ, চোখের জলে ধুন্ধুমার কাটোয়া

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিএলও-দের ক্ষোভ, চোখের জলে ধুন্ধুমার কাটোয়া

বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও-দের ক্ষোভের মুখে নির্বাচন কমিশন। দাবি উঠল, তাদেরকে খুন করে দিক কমিশন। কাটোয়া ১নং ব্লক কার্যালয়ে বিএলও-দের প্রশিক্ষণ চলাকালীন বিএলও-দের ক্ষোভ, কান্নায় পরিস্থিতি রীতিমত তপ্ত হয়ে ওঠে। অঝোরে কান্নায় ভেঙে পড়া ৭৯ নং বুথের বিএলও দেবাশিস দাস বলছিলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই ভোটারদের এসআইআর ফর্ম বিলি করেছি। প্রশিক্ষণের সময় বিএলও অ্যাপে ভোটারদের তথ্য আপলোড করার জন্য বলা হয়। এসব আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তার চেয়ে নির্বাচন কমিশন আমাকে মেরে দিক। ল্যাঠা চুকে যাক।’

দেবাশিসবাবুর সুরে সুর মিলিয়ে কাজ থেকে অব্যাহতি চেয়ে প্রায় একই দাবিতে প্রশাসনিক কর্তাদের সামনেই ক্ষোভ উগরে দিলেন ৯৭নং বুথের বিএলও চৈতালি চট্টরাজ, ৮১ নং বুথের বিএলও সুরজিৎ ঘোষ-সহ একঝাঁক বিএলও। বিএলও-দের মূল ক্ষোভ এসআইআর ফর্মে উল্লিখিত ভোটারদের তামাম তথ্য ডিজিটাইজেশন করার ক্ষেত্রে। বহু বিএলও-র দাবি, তথ্য ডিজিটাইজেশনের উপযুক্ত পরিকাঠামো তাদের কাছে মজুত নেই। এই কাজে দক্ষতারও অভাব রয়েছে। অনেক বিএলও-র অভিজ্ঞতা, ভোটার তালিকা দেখে পূরণ করা ফর্ম মিলিয়ে একটা ভোটারের তথ্য আপলোড করতেই ১০ মিনিটেরও বেশি সময় চলে যাচ্ছে। নেটের সমস্যায় অনেক সময় তাও হচ্ছে না। অনেক সময় পোর্টাল কাজ করছে না। এক একজন বিএলওকে গড়ে হাজারের উপর ভোটারের ফর্ম আপলোড করতে হবে। এই চাপ অনেকেই সহ্য করতে পারছেন না। চাপ সহ্য করতে না পেরে ইতিমধ্যেই নমিতা হাঁসদা নামে মেমারির এক বিএলও-র মৃত্যুর প্রসঙ্গও তোলেন বিএলও-রা।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসার তথা কাটোয়ার মহকুমাশাসক অনির্বান বসু জানান, ‘কারও কোনও অসুবিধা থাকলে নিশ্চয়ই দেখা হবে। ওনাদের প্রশিক্ষণটাতো নিতে হবে।’ যোগ করেন, ‘বিএলওদের কোনও চাপ দেওয়া হচ্ছে না। যা নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে সবই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ। যদি কোনো বিএলও শারীরিক অসুস্থতার কথা বলেন, তাহলে মহকুমা হাসপাতালে মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে আবেদনকারীর বক্তব্য শোনা হবে।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!